শিরোনাম
◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা ◈ হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিশ্ববাজারে গুরুত্ব বাড়ছে আফ্রিকার, বাড়ছে বিনিয়োগ! ◈ গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাইয়ের ঘরে একসঙ্গে ৪ শাবকের জন্ম, বেড়ে সংখ্যা ১৩ ◈ প্রবাসীর টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি, সহকর্মীকে বিয়ের পর কারাগারে শিক্ষিকা-প্রেমিক ◈ দেশে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ভোলা-চট্টগ্রাম-নরসিংদীতে ৩ নতুন সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ সরকারের ◈ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কি সত্যিই সম্ভব, প্রত্যর্পণ ও ট্রাভেল পাস নিয়ে যত জটিলতা ◈ সিঙ্গাপুর হংকং লন্ডন নিউইয়র্কের বাজারে ১ বিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম বন্ড ছাড়ছে বাংলাদেশ, দায়িত্বে জেপি মরগান চেজ ◈ নোংরা মোজায় লুকিয়ে জার্মানিতে পাচার হচ্ছিল ৩০০০ মাকড়সা, মূল্য ১৫ লাখ ইউরো

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২০, ০৫:২১ সকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২০, ০৫:২১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডেক্সামিথাসন করোনার ওষুধ নয় এটি কোম্পানির প্ররোচনা

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] ডাক্তার জাকির তালুকদার বলেছেন, মিডিয়া করোনা চিকিৎসার নামে একটা একটা করে ওষুধের নাম জানাচ্ছে, আর পাবলিক হন্যে হয়ে সেগুলো কিনতে ছুটছে। আজ বলেছে ডেক্সামিথাসনের নাম। নিশ্চয়তা দিয়ে বলছি, এটি করোনার ওষুধ নয়।

[৩] অনেক মুমূর্ষু এবং জটিল রোগীর চিকিৎসায় এই ওষুধ আমরা ব্যবহার করি। করোনাজনিত শ্বাসকষ্ট শুধু নয়, যে কোনো ধরনের মারাত্মক শ্বাসকষ্টে এর ব্যবহার আছে। কখন কোন রোগীকে এটি দেয়া হবে সে সিদ্ধান্ত ডাক্তারের। ডেক্সামিথাসন জীবন রক্ষাকারী ওষুধ । ভুল হলে জীবন শংসয় ঘটবে।

[৪] তিনি বলেন, করোনার সময় ওষুধ কোম্পানিগুলো টাকা লুটতে শুরু করেছে।রেমডিসিভির কতখানি কার্যকর তা প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু ওষুধ কোম্পানির প্ররোচনায় বড় বড় বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা লিখে যাচ্ছেন রেমডিসিভির। ২০টা ট্যাবলেটের দাম ৮০০০ টাকা। প্রতিদিন ৬টা করে ট্যাবলেট রোগীকে খাওয়াচ্ছেন ১০ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত।

[৫] ফোনে চিকিৎসা করেছি ২০ জন করোনা রোগীর। সবাই সুস্থ হয়েছেন বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসা নিয়ে। প্যারাসিটামল আর একটি এন্টিবায়োটিক দিয়েই চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। সৌভাগ্য যে একজন রোগীরও বেশি শ্বাসকষ্ট ছিল না। দুইজন একটু শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। মনটেলুকাস্ট দিয়ে কাজ হয়েছে।

[৬] তিনি বলেন, করোনার কোনো সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। আমরা কেবলমাত্র সিম্পটোমাটিক ওষুধ দিই। এসব ওষুধ রোগীর কষ্ট ও উপসর্গ কমায়। কয়েকদিনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের এন্টিবডি তৈরি শুরু হয়ে যায় রোগীর শরীরে। সেই এন্টিবডি রোগীকে সুস্থতা দান করে ভাইরাসগুলোক হত্যা করার মাধ্যমে।

  • সর্বশেষ