শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও) ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২০, ০৫:২১ সকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২০, ০৫:২১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডেক্সামিথাসন করোনার ওষুধ নয় এটি কোম্পানির প্ররোচনা

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] ডাক্তার জাকির তালুকদার বলেছেন, মিডিয়া করোনা চিকিৎসার নামে একটা একটা করে ওষুধের নাম জানাচ্ছে, আর পাবলিক হন্যে হয়ে সেগুলো কিনতে ছুটছে। আজ বলেছে ডেক্সামিথাসনের নাম। নিশ্চয়তা দিয়ে বলছি, এটি করোনার ওষুধ নয়।

[৩] অনেক মুমূর্ষু এবং জটিল রোগীর চিকিৎসায় এই ওষুধ আমরা ব্যবহার করি। করোনাজনিত শ্বাসকষ্ট শুধু নয়, যে কোনো ধরনের মারাত্মক শ্বাসকষ্টে এর ব্যবহার আছে। কখন কোন রোগীকে এটি দেয়া হবে সে সিদ্ধান্ত ডাক্তারের। ডেক্সামিথাসন জীবন রক্ষাকারী ওষুধ । ভুল হলে জীবন শংসয় ঘটবে।

[৪] তিনি বলেন, করোনার সময় ওষুধ কোম্পানিগুলো টাকা লুটতে শুরু করেছে।রেমডিসিভির কতখানি কার্যকর তা প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু ওষুধ কোম্পানির প্ররোচনায় বড় বড় বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা লিখে যাচ্ছেন রেমডিসিভির। ২০টা ট্যাবলেটের দাম ৮০০০ টাকা। প্রতিদিন ৬টা করে ট্যাবলেট রোগীকে খাওয়াচ্ছেন ১০ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত।

[৫] ফোনে চিকিৎসা করেছি ২০ জন করোনা রোগীর। সবাই সুস্থ হয়েছেন বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসা নিয়ে। প্যারাসিটামল আর একটি এন্টিবায়োটিক দিয়েই চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। সৌভাগ্য যে একজন রোগীরও বেশি শ্বাসকষ্ট ছিল না। দুইজন একটু শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। মনটেলুকাস্ট দিয়ে কাজ হয়েছে।

[৬] তিনি বলেন, করোনার কোনো সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। আমরা কেবলমাত্র সিম্পটোমাটিক ওষুধ দিই। এসব ওষুধ রোগীর কষ্ট ও উপসর্গ কমায়। কয়েকদিনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের এন্টিবডি তৈরি শুরু হয়ে যায় রোগীর শরীরে। সেই এন্টিবডি রোগীকে সুস্থতা দান করে ভাইরাসগুলোক হত্যা করার মাধ্যমে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়