প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গোপালগঞ্জে কোভিড উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১২ জন, সরকারি হিসেবে ৫

আসাদুজ্জামান বাবুল ও মাহাবুব সুলতান: [২] জেলায় ১০১ দিনে (১৬ জুন পর্যন্ত) ১২জন চিকিৎসকসহ মোট ৪০২ জন আক্রান্ত হয়েছে। সরকারী হিসেবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ জন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ১ জন ও মুকসুদপুর উপজেলায় ৩ জনসহ মোট ৫ জন মারা গেছে।

[৩] বেসরকারী হিসেব অনুযায়ী, কোভিড-১৯ সংক্রমণ শুরুর পর উপসর্গ নিয়ে ৭ জনসহ জেলায় মোট মারা গেছেন ১২জন।গত ১৬ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাশিয়ানী উপজেলার পোনা গ্রামে মোহাম্মাদ হোসেন মোল্লা ওরফে খোকা মোল্লা নামে ৭৫ বছর বয়স্ক এক বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়ীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ১০ জুন গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকরাম শরীফ নামে এক ব্যক্তি মারা গেছে। তার বাড়ী সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। এ ছাড়া মুকসুদপুর উপজেলা সদরে মন্দির ভিত্তিক একজন নারী শিক্ষিকা উপসর্গ নিয়ে নিজ বাড়ীতে মারা গেছেন। একই উপজেলার বানিয়ারচর ক্যাথলিক মিশনের ল্যাব টেকনিশিয়ান রিপন বৈদ্য ওরফে নিপু নামে একজন স্বাস্থ্যকর্মিসহ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।এ ছাড়া টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় একজন নারীসহ ২ জন মারা গেছেন। কাশিয়ানী উপজেলায় এক মাসের শিশু বাচ্চা রেখে একজন নারী মারা গেছেন। যাদের নাম সরকারী তালিকায় অন্তভুক্ত করা হয়নি।

[৪] সরকারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, গত ১৬ মে শনিবার রাত ৯ টার পর গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া জেলা শহরের মেডিকেয়ার ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কমি লিটুসহ ৫ জনের নাম।

[৫] কোভিড বা কোভিড উপসর্গ নিয়ে অন্য যারা মারা গেছেন তাদের খবরও জানে না স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৭ জুন রাত ২ টার পর ১৬ জুনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৬ জুন পযন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪০২ জন। নিজ নিজ বাড়ীতে হোমকোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ২৭৮১ জন, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬৪ জন। হোমকোয়ারেন্টাইন হতে ছাড়পত্র নিয়েছেন ২৬২০ জন। আরোগ্যলাভ করেছেন ১৭৮ জন এবং এ পযন্ত জেলায় মৃত্যুবরন করেছেন ৫ জন। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

সর্বাধিক পঠিত