প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার এ অভিযানকালে দুই লক্ষ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা

শাহীন খন্দকার : [২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রন শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রন কর্মসূচি মৌসুমপূর্ব এডিস সার্ভে ২০২০ পরবর্তী মনিটরিং কার্যক্রম (৬ জুন) হতে শুরু করেছে, উক্ত মনিটরিং কার্যক্রম ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাথে যৌথ ভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রন শাখার ১০ টি টিম উক্ত মনিটরিং কার্যক্রমে সিটি কর্পোরেশনের সাথে বিভিন্ন ওয়ার্ডের মহল্লায় মহল্লায় সরাসরি অংশগ্রহন করছে।

[৩] আজ শুক্রবার (১২ জুন) ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনের ০১, ০৮, ১২, ২০, ২২, ২৪, ২৬,৩১, ৩৪, ৩৬ নং ওয়ার্ডে উক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত মনিটরিং কার্যক্রমে মোট ২৪০ টি বাড়ি পরিদর্শন করা হয় এবং পরিদর্শিত বাড়ি গুলির মধ্যে মোট ৫১টি বাড়িতে এডিসমশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া যায় এবং বেশ কিছু বাড়িতে এডিসমশার সম্ভাব্য প্রজনন উৎস পরিলক্ষিত হয়।

[৪] এ অভিযান পরিচালনাকালে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি বাড়িগুলোতে অভিযান পরিচালনাকালে টিমের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এডিসমশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি বাড়িগুলোকে ২৫১,০০০জরিমানা করে এবং সম্ভাব্য বাড়ি গুলোকে সতর্ক করা হয়।

[৫] এসময়ে বিশেষ করে নির্মানাধীন ও বহুতল ভবনের চৌবাচ্চা, লিফটের গর্ত, পানিরমোটরের গর্ত এবং প্লাস্টিক ড্রামের জমানো পানিতে স্প্রেম্যানের সহায়তায় কীটনাশক স্প্রে করা হয় এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকর্মীদের সহযোগীতায় নির্মূল ও ব্যবস্থাপনার যোগ্য পাত্র- যেমন দইয়ের পাত্র,পরিত্যক্ত পাত্র, পরিত্যক্ত ফুডকনটেইনার, গাড়ির টায়ার ইত্যাদি নির্মূল করা হয় ।

[৬] ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রেসবার্তায় জানালেন, বিশেষ করে নির্মানাধীন ও বহুতল ভবনের চৌবাচ্চা, লিফটের গর্ত, পানিরমোটরের গর্ত এবং প্লাস্টিক ড্রামের জমানো পানিতে স্প্রেম্যানের সহায়তায় কীটনাশক স্প্রে করা হয় এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকর্মীদের সহযোগীতায় নির্মূল ও ব্যবস্থাপনার যোগ্য পাত্র- যেমন দইয়ের পাত্র,পরিত্যক্ত পাত্র, পরিত্যক্ত ফুডকনটেইনার, গাড়ির টায়ার ইত্যাদি নির্মূল করা হয় ।

[৭] তিনি বলেন, এ বছর ছাদ কৃষিতে ব্যবহৃত টবে, পাখির খাাঁচায় পানির কৌটাতে বেশ কিছু বাড়িতে এডিসমশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে। সেই সাথে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এডিসমশা নিয়ন্ত্রনের বার্তা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয় ও বাড়ির মালিকদের সতর্ক করা হয় । উক্ত কার্যক্রম আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। বিস্তারিত জানিয়েছেন ডাঃ আফসানা আলমগীর খান ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ম্যালেরিয়া ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রন কর্মসূচি, রোগ নিয়ন্ত্রন শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত