প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কামাল হোসেন মিঠু : ফেরদৌস খন্দকার, আপনি এগিয়ে যান, বাংলাদেশ আপনার সঙ্গে আছে

কামাল হোসেন মিঠু : সম্ভবত ২০০৩ অথবা ২০০৪ সালেরর সালের কথা। তখন আমি নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কাজ করি, একদিন জ্যাকসন হাইটসে পেছন থেকে দেখি- কেউ একজন ডাকছে, মিঠু ভাই না? আমি পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখি, হাসিমুখে আমার দিকে চশমা পরিহিত একজন লোক তাকিয়ে হাসছেন, কাছে যেতেই দেখি, ফেরদৌস খন্দকার। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের রাজপথের সহযোদ্ধা, চরম বিপদসংকুল দিনের হাতে হাত রাখা রাজনৈতিক বন্ধু। বললেন, ৬৫ স্ট্রিটে একটা চেম্বার করেন অন্য একজনের সঙ্গে, কিন্তু টানাপোড়েন চলছে সেখানে, নানান অসুবিধে। অনেক স্মৃতি রোমন্থনের পর বিদায় নিয়ে চলে আসলাম সেদিন।

 

তারপর থেকে ফেরদৌস খন্দকারের রোগীর তালিকায় ঠাঁই নিলাম। প্রায় দেখা হতো, নানান স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস দিতেন। বলতেন, শরীরটাকে ঠিক রাখা লাগবে। কিছুদিন পরে একদিন ফোন দিয়ে বললেন, দোয়া করবেন নতুন চেম্বার চালু করছি, কাছাকাছিই। বেশ জমে গেলো নতুন চেম্বার, ভিড় বাড়লো রোগীদের , নাম, যশ হলো। ফেরদৌসকে চিনি ১৯৯০/৯১ সাল থেকে, রাজনীতির কারণেই পরিচয়, সেই ফেরদৌসকেই কিনা আজ রাজনৈতিক পরিচয়ের জন্য কিছু তথাকথিত সংবাদকর্মীদের (?) সার্টিফিকেট লাগবে? ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকারের রাজনৈতিক সার্টিফিকেট লেখা আছে, খুঁজলে পাবেন চট্টগ্রামের রাজপথে, চমেক হাসপাতালের লবিতে লবিতে, শাহ আলম বীরোত্তম মিলনায়তনে, মিছিলে, স্লোগানে, নবীন বরণে, একুশে উদযাপনে, বিজয় দিবসে, বাঙালির ইতিহাসের কালোরাত ১৫ আগস্টের শোকগাথাঁয়।

 

করোনার চরম দুঃসময়ে যখন আমরা সবাই নিরাপদ দূরত্ব খুঁজেছি, তখন এই ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার চষে বেড়িয়েছেন নিউইয়র্ক শহরের আনাচে কানাচে। উনার এই কার্যক্রম অন্যদের অনুপ্রাণিত করেছে, আরো অনেকেই এগিয়ে এসেছেন প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেককেই চিনি, যারা এই দুঃসময়ে ডাক্তার ফেরদৌসের সহযোগিতা পেয়েছেন। জানি না কোন অদৃশ্য সুতোর টানে আজ কিছু পঁচে-গলে যাওয়া তথাকথিত সাংঘাতিক (সাংবাদিক নন) নিউইয়র্ক এবং বাংলাদেশে এমন উদ্যমী একজন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছেন। তবে এটুকু বলতে পারি, তার উদ্যমকে আপনারা ঠেকাতে পারবেন না, শুধু সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে পারবেন। ফেরদৌস খন্দকার, আপনি এগিয়ে যান, বাংলাদেশ আপনার সঙ্গে আছে। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত