প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইমরুল শাহেদ : মাস্কের আড়াল থেকেই ফুটে উঠবে হাসি মুখ!

ইমরুল শাহেদ : কোভিড-১৯ প্রকোপের মধ্যে সরকারি ছুটি শেষ হতেই গ্ল্যামার জগতের লোকজন অস্থির হয়ে উঠেছেন শুটিং জোনে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু এর মধ্যেই নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুটিং করতে হলে তো শিল্পীদের মেক-আপ লাগবে, দুপুরের খাওয়া আছে, অন্যান্য টুকটাক খাবার আছে, লোকেশনে যাওয়ার ব্যাপার আছে, সবাই কি গাদাগাদি করে লোকেশনে যাবেন – এমনি আরো অনেক প্রশ্ন। দেশ-বিদেশের সবাই যখন এসব বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তিত তখন কেরালার একজন এক ধরনের মাস্ক তৈরি করেছে। সেই মাস্কের ভিতর দিয়ে পুরো চেহারাই দেখা যায়। তিনি পেশায় একজন ফটোগ্রাফার। কেরালার কোট্টায়াম শহরের বাসিন্দা।
নাম বিনেশ পাল। তার একটি স্টুডিও রয়েছে। বিয়ে হোক কিংবা অন্য কোনও অনুষ্ঠানে ছবি তুলেই তিনি আয় করতেন। এছাড়া তার স্টুডিওয় কফি মাগ, টি-শার্টের উপরেও ছাপা হত। তবে করোনার থাবায় বর্তমানে উপার্জন তলানিতে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতিতে তাই একেবারে ব্যতিক্রমী মাস্ক তৈরি করে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বিনেশ। সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্ক সম্পর্কে বিনেশ বলেছেন যে কোনও মানুষের নাকের নিচের দিক থেকে হাসি মুখের ছবি মাস্কের উপরে ছাপিয়ে দেওয়া হয়। ওই মাস্ক পরা অবস্থায় তাকালেই মনে হবে তিনি হাসছেন। এই কঠিন সময়ে হাসি ইতিবাচক শক্তির জোগান দিতে পারে। তাই হাসিমুখের মাস্কই তৈরি করা হয়েছে।
কারও স্টাইল স্টেটমেন্ট যদি গোঁফ, দাঁড়ি হয় তবে তাও মাস্কে ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ক্রেতার সঙ্গে আলোচনা করে তার মন মতো মাস্ক তৈরি করে দিচ্ছেন বিনেশ। এক একটি মাস্ক তৈরিতে সময় লাগে প্রায় ১৫ মিনিট। দাম মাত্র ৬০ রুপি। ইতোমধ্যেই ব্যতিক্রমী মাস্ক তৈরি করে বেশ জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছেন বিনেশ। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৩ হাজার মাস্ক বানিয়ে ডেলিভারি দিয়েছেন। আরও পাঁচ হাজারের মতো মাস্ক ডেলিভারি করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন। ছবি তোলার ব্যবসা মার খেতে শুরু করার পর মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল ওই চিত্রগ্রাহকের। তবে আবারও কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পেরে মনের জোর ফিরে পেয়েছেন বিনেশ। এদেশেও এমন উদ্যোগ নিয়ে নির্মাতাদের মনে স্বস্তি¡ ফিরিয়ে আনতে পারেন।

সর্বাধিক পঠিত