প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাকে পুঁজি করে ডেমোক্র্যাট শিবির ট্রাম্পের অপশাসনে আমেরিকা কতোটা বিপদে পড়েছে?

আনিস আলমগীর : এটা ঠিক, আমেরিকায় বর্ণবাদ আগের চেয়ে অনেক কম এবং বর্ণবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আগের চেয়ে অনেক বেশি। গত এক সপ্তাহের বিক্ষোভও তাই জানান দিচ্ছে। এটি সাদা বা কালোদের বিক্ষোভ হিসেবে দেখা যাচ্ছে না, সারা দেশের প্রতিটি শহরে সাদা-কালো মানুষ পাশাপাশি হাঁটছেন। হোয়াইট হাউস, ক্যাপিটল হিলসহ রাজধানী ওয়াশিংটনের জাতীয় স্থাপনাগুলোর আশেপাশে জড়ো হচ্ছে অসংখ্য প্রতিবাদকারী। তাদের হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান। ফ্লয়েড হত্যার বিচার, ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারসহ নানা স্লোগান দেন তারা।
কিছু জ্বালাও, পোড়াও আর লুটের ঘটনা বাদ দিলে এই প্রতিবাদ নাগরিকদের সমর্থন লাভ করছে। এ পর্যন্ত বিক্ষোভ চলাকালীন সারাদেশে ৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়র বিল দে ব্লাসিওর মেয়ে চিয়ারাও তার মধ্যে একজন। ওয়ালমার্ট এবং টার্গেটসহ বেশ কয়েকটি বড় খুচরা বিক্রেতারা অনেক জায়গায় অস্থিরতার কারণে তাদের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।
এখন প্রশ্ন আসছে, জর্জ ফ্লয়েডের এই ঘটনাকে পুঁজি করে ডেমোক্র্যাট শিবির ট্রাম্পের অপশাসনে আমেরিকা কতোটা বিপদের মধ্যে পড়েছে এবং দুর্বল হয়েছেÑএটা দেখিয়ে নিজেদের অনুকূলে জনমত আনতে পারবে কিনা। নাকি ট্রাম্প শিবির সুপরিকল্পিতভাবে এই ঘটনার আগুনে ঘি ঢেলে নির্বাচন আসার আগে আগে কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ বিভাজন আরও প্রকট করে ফল খাবে? এর সুবাদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাদাদের একতরফা করে ট্রাম্পের পুনরায় নির্বাচিত হয়ে আসা বিচিত্র নয়। ভারতের গত সাধারণ নির্বাচনের আগে হিন্দু-মুসলিম ইস্যু তৈরি করে ট্রাম্পের বন্ধু নরেন্দ্র মোদিও সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের একরোখা করে বিপুল জয় পেয়েছেন। বিশ্বব্যাপী ধর্মবাদীদের, বর্ণবাদীদের উত্থান চলছে। ভারতেও এখন বর্ণবাদীরা ক্ষমতায়। সংক্ষিপ্ত। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত