প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অঞ্চলভেদে নিষেধাজ্ঞা সম্ভব হলে সুফল পাওয়া যাবে, না পাওয়ারও শংকা আছে : বিশেষজ্ঞ মত

লাইজুল ইসলাম : [২] কার্যত সব কিছুই খুলে দেয়া হয়েছে। চলছে গণপরিবহন, আন্তজেলা পরিবহন। অফিস আদালত সব কিছুই চলছে। কিন্তু ঝুঁকি এখনো শেষ হয়নি। তারপরও অর্থনিতীর চাকা সচল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন সংক্রমণ এড়াতে তিন ভাগে ভাগ করা হবে দেশকে। লাল, হলুদ ও সবুজ এই তিন রংয়ে ভাগ হবে দেশ।

[৩] এবার অঞ্চলভেদে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে সরকার। আক্রান্ত ও সুরক্ষিত এলাকা আলাদা করে বসানো হবে চেকপোষ্ট। রেড জোনের বাসিন্দারা গ্রিন জোনে যেতে পারবেন না। বিশেষ নজরদারিতে থাকবে ইয়েলো জোন। আর চলাচলের এসব বিধি নিষেধ অমান্য করলে নেয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

[৪] কোভিড-১৯ সংক্রমণের হটস্পট বলা হচ্ছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামকে । এসব অঞ্চল হতে পারে রেড জোন। ময়মনসিংহ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রংপুর ও সিলেটে করোনা আক্রান্তের ২য় স্পট। তুলনামূলক কম আক্রান্ত হওয়ায় এগুলো হবে ইয়েলো জোন। আর যেসব জেলায় সংক্রমণ ঝুঁকি কম তা হবে গ্রিন জোন।

[৫] অধ্যাপক ডা. ফরহাদ মঞ্জুর বলেন, ভারতও একইভাবে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে। তিন ধাপে লকডাউন তুলে নিচ্ছে দেশটি। তবে রেড জোনে লকডাউন মানা হচ্ছে বেশ কড়াকড়িভাবেই। ৩০ জুন পর্যন্ত এসব এলাকায় চলাচল একেবারে বন্ধ রাখা হচ্ছে।

[৬] রোগতত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষনা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলোমগীর বলেন, গণপরিবহন চালু রেখেও এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্ভব। এক্ষেত্রে আইন বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার কোন বিকল্প নেই। রেডকে গ্রীনে আনার লক্ষ নিয়ে এই প্রক্রিয়া চালু করেছে ভারত। তবে সফলতা পাওয়ার সুযোগ খুবই কম।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত