প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যুক্তরাষ্ট্রে ষষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভে গ্রেপ্তার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার, ৪০ শহরে কারফিউ জারি

লিহান লিমা: [২] পুলিশের হেফাজতে আফ্রো-আমেরিকান যুবক জর্জ ফ্লয়েড হত্যার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ষষ্ঠ দিনের মতো জ্বলছে আগুন। দেশটির রাজ্যে রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি, সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান

[৩] প্রায় ৪০টি শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ জাতীয় জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় মোতায়েন করা হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড। ওয়াশিংটনসহ ১৫টি অঙ্গরাজ্যে আরোপ করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি সেনা। ওয়াশিংটনেই প্রায় ১৭’শ সেনা মোতায়ন করা হয়েছে।

[৪] নিউইয়র্ক, শিকাগো, ফিলাডেলপিয়া ও লস অ্যাঞ্জেলসে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও পেপার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। কয়েকটি শহরে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেক শহরে কয়েকটি দোকান লুটপাট হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের পাশ্ববর্তী এলাকায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শত বছরের পুরোনো চার্চ সেন্ট জন এপিসকোপাল চার্চ। বিক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে আহত হয়েছেন সিক্রেট সার্ভিসের প্রায় ৫০ জন সদস্য।

[৫] বিবিসির সাংবাদিক নিক ব্রায়ান্ট বলেন,‘১৯৬৮সালে মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যার পর সবচেয়ে বড় গণবিদ্রোহের মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়াবহতা পাশ কাটিয়ে প্রায় ৭৫টি শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।’

[৬] গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যের মিনেপোলিস শহরে ৪৫ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক ফ্লয়েডকে একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। বিক্ষোভের মুখে ফ্লয়েডের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়। ফ্লয়েডের পরিবারসহ বিক্ষোভকারীরা হত্যার সঙ্গে জড়িত বাকি তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত