প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্যাস্ট্রিক দূর করা যায়

ডা. আলমগীর মতি : দেশ-বিদেশে ভেষজ বা হারবালের ব্যাপক চাহিদা ব্যাক। অন্যান্য ওষুধের মতো বর্তমানে হারবাল ওষুধ এখন রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। মানবদেহের যে কোনো জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয়ে সহজলভ্য হচ্ছে। কেননা এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। মানবদেহের গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলী প্রদাহে সাধারণত সঠিক সময়ে খাবার না খাওয়া, ভেজালযুক্ত খাবার খাওয়া, গুরুপাকজাতীয় খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত ভোজন গ্যাস্ট্র্রইটিসের কারণ।

খাবারে বেশি পরিমাণে মসলা ও তেলের ব্যবহার গ্যাস্ট্রাইটিসের সৃষ্টি করে। এ রোগের উপসর্গগুলো হলো- গলা ও বুক জ্বালাপোড়া করা; টক টক ঢেঁকুর ওঠা; বমি বমি ভাব ও বমি করা; খাওয়ার আগে বা পরে পেটে ব্যথা করা; পেট ফেঁপে যাওয়া; টকজাতীয় খাবার অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে তোলে।

এসব উপসর্গযুক্ত রোগীদের নিয়মিত সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত তেল বা চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করা বাঞ্ছনীয়। অন্যদিকে দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রাইটিস থাকলে তা ক্রমে পাকস্থলী ও অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি করে। আর সেই ক্ষতের নামই পেপটিক আলসার বা ডিওডেনাল আলসার।

ভেষজ চিকিৎসা : গ্যাস্ট্রাইটিস ও গ্যাস্ট্রিক আলসারে আমলকী, হরীতকী, বহেড়া, যষ্টিমধু, খয়ের, মঞ্জিষ্ঠা, হলুদ, আদা, গোলমরিচ, ইসবগুল, বাবলাগাম ইত্যাদি খুবই কার্যকরী। অন্যদিকে ভেষজভাবে এখন বিভিন্ন ধরনের ওষুধও গ্যাসট্রিকের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

লেখক : বিশিষ্ট হারবাল গবেষক, চিকিৎসক ও মেডিসিন কনসালট্যান্ট, চেয়ারম্যান, মডার্ন হারবাল গ্রুপ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত