প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ‘আমেরিকা অসুস্থ, বর্ণবাদের মূলোৎপাটন করতে হবে’, বললেন বিক্ষোভকারীরা

লিহান লিমা: [২] কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পঞ্চম দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যে রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ। স্থানীয় সময় সোমবার হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেয় হাজারো জনতা। এর মধ্যে ছিলেন শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মবলম্বীরা। এএফপি

[৩]বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা ব্যারিয়ার ভেঙ্গে ফেলে পুলিশের দিকে পানির বোতল নিক্ষেপ করেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তারা, ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না, ‘কালোদের জীবন গুরুত্বপূর্ণ’, ‘বিচার নেই তো, শান্তি নেই’, নানা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। ক্ষুদ্ধ বিক্ষোভকারীরা আমেরিকার পতাকা নামিয়ে পোড়াতে শুরু করেন।

[৪]নিউইয়র্কের বিক্ষোভকারী ক্যারোলিন নিক্সন বলেন, ‘আমেরিকা অসুস্থ, আমাদের এই বর্ণবাদের মূল উপড়াতে হবে।’ পেইজি পোটার বলেন, ‘আমি এখানে জর্জ ফ্লয়েডের জন্য এসেছি। আমি তাদের জন্য এসেছি তারা পুলিশেল নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। আল জাজিরা

[৫]গত সোমবার মিনেসোটার মিনেপোলিসে জাল টাকা দিয়ে কিছু কেনার অপরাধে ফ্লয়েডকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে হাঁটু চাপা দিয়ে গাড়ির নিচে রাখে পুলিশ সদস্য ডেরেক চাভিন। ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না’ বলে বার বার আকুতি জানানোর পরও তাকে ছাড়া হয় নি। পরে তার মৃত্যু হয়। প্রথমে চাভিনকে বরখাস্ত করা হলেও তুমুল বিক্ষোভের মুখে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়। ফ্লয়েডের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত আরো তিন সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয় নি। আনাদুলু এজেন্সি

[৬] বিক্ষোভকারীরা বাকি তিন সদস্যের গ্রেপ্তার, ফ্লয়েড হত্যার ন্যায্য বিচার দাবিসহ কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশের নৃশংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

[৭]শনিবার দেশটির ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্ক, টেক্সাস, ম্যাসাচুসেটস, কেনচুকি, জর্জিয়া, ইলিনয়, মিশিগান ও ওয়াশিংটনসহ অন্যান্য শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ জোরালো হওয়ার পর পার্ক পুলিশকে সহায়তা করতে মোতায়েন করা হয় সিক্রেট সার্ভিস ও ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের। বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

[৮] জর্জিয়া, কেনচুকি, ওহাইও কিছু রাজ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়। লস অ্যাঞ্জেলস, শিকাগো, আটলান্টা ও সিয়াটলসহ মোট ৩০ রাজ্যে কারফিউ আরোপ করা হয়। নিউইয়র্কে হারলেমের পাশে মার্চ করে বিক্ষোভকারীরা, আটকে দেয়া হয় ম্যানহাটনের রাস্তা। নিউইয়র্ক পুলিশ বলেছে, শুক্রবার রাতে ২০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে সল্ট লেক থেকে ৬ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

[৯]মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সহিংসতা বরদাস্ত করবে না।

[১০]এর আগে ২০১৪ সালে নিউইয়র্কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় কৃষ্ণাঙ্গ এরিক গার্নারকে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত