প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলা যে বাসটি দেখে আজো সবাই স্মৃতিকাতর হয়

মোটরগাড়ী, শিরোনামে একটি স্ট্যটাস দিয়েছেন নাসির উদ্দীন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো আমাদের সময় ডটকম পাঠকদের জন্য।

প্রিয় নওসের রুবেল এই মোটর গাড়িটি শেয়ার করার পর অসংখ্যবার নানাভাবে দেখেছি। কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলাচল করতো বাসটি। বাসটি যে আমি চড়েছি আমার স্পষ্ট মনে আছে। বাসটির ছবি আমাকে অনেক স্মৃতিকাতর করেছে।

১৯৬৯ সালে ক্লাস সিক্সে ভর্তির পরই, এই বাসের সাথে আত্মীয়তা শুরু। যখন প্রায়শই স্কুলের জন্য বা স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার জন্য বাস ধরতে হতো। একঘন্টা বা আরও বেশি দেরি করে বাস আসতো। আসন ছিলো তক্তপোষের। জানালার দিকে পিঠ ঠেকিয়ে ভেতরের দিকে মুখ করে বসতে হতো। যারা সীট পেতেন না তারা দাঁড়িয়ে বা ছাদে চড়ে যেতেন।

ড্রাইভিং আসনও ছিলো লম্বা তক্তপোষের। এখানেও তিনজন যাত্রী বসতো। এটাকে অপেরা ক্লাস বলতো। ড্রাইভিং সীটের পেছনে ছিলো আরেকটি কম্পার্টমেন্ট। সেটাকে বলতো ডিলাক্স। এই দুই সীটের ভাড়া বেশি ছিলো। কারণ নারকেলের ছোবড়া আর রেক্সিনের ব্যবহারে সীটের উপর প্রায় এক ইঞ্চির হালকা জাজিম বসানো হতো এই বিশেষ শ্রেনীর জন্য।

অবশ্য এর আগে সিলেটে থাকাকালেও এই ধরনের বাস বহুবার চড়েছি। কারণ জাফলং তামাবিল লাইনের পাহাড়ি পথে এই পেট্রোল বাস ছাড়া আর কিছুই ছিলো না। এই বাসকে স্টার্ট করতে হতো সামনে থেকে হ্যান্ডেল মেরে। হেলপার হ্যান্ডেল ঘুড়িয়ে মোটর স্টার্ট করার পর ড্রাইভারের কাজ শুরু হতো।

তখন এই বাসগুলো মোটরগাড়ী নামেই পরিচিত ছিলো। এজন্য কুমিল্লার শাসনগাছার নামই হয়ে গিয়েছিল মোটরে (সবাই বলতো মোডরে)। কুমিল্লা শহরের যে কোনো স্থান থেকে শাসনগাছায় যেতে রিক্সাকে মোটরে বললেই হতো। কান্দিরপাড় থেকে রিক্সাগুলো শাসনগাছার উদ্দেশ্যে ডাকাডাকি করতো মোটরে মোটরে বলে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত