শিরোনাম
◈ আমেরিকা তাঁকে ১৫ মিনিট দিয়েছিল সিদ্ধান্ত নিতে – কথামতো চলো, নয়তো মরবে: ভিডিও ফাঁস ◈ যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কূটনৈতিক লড়াই বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলবে? ◈ বিদেশে কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় বাধায় বিপর্যস্ত প্রবাসী বাংলাদেশি ◈ দিল্লি থেকে অডিও বার্তায় বাংলাদেশ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য শেখ হাসিনার ◈ হাসিনা আপার কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে রেখে গেছেন, আমরা তাদের পাশে আছি : মির্জা ফখরুল ◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ ◈ আইসিজেতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের দাবি নাকচ বাংলাদেশের ◈ বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন জয় শাহ ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণে নির্দেশনা জারি ইসির ◈ চট্টগ্রাম রয়্যালস‌কে হা‌রি‌য়ে বি‌পিএ‌লে নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী   

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২০, ১১:৫৫ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২০, ১১:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] লিবিয়ায় বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশিদের উপর আবারো হামলার আশঙ্কা অমূলক নয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তরিকুল ইসলাম : [২]  নিহত ২৬ বাংলাদেশির মরদেহ জোর করে দাফন করেছে মিলিশিয়ারা। সরকারকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাফন করা হয়েছে বলে মধ্যে রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

[৩] তিনি বলেন, যেহেতু মর্গে লাশ রাখার ব্যবস্থা ছিল না এবং লাশগুলো পচে গলে গিয়েছিল। এ জন্যই তারা সেগুলো দাফন করে দিয়েছে। আহত ১১ জন ও পালিয়ে অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশিদের উপরে সংক্ষুব্ধ মানবপাচারকারী গোষ্ঠীর হামলার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায়না বলে ত্রিপোলির কূটনৈতিক সূত্র এমনটাই জানিয়েছেন।
[৪] আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, যেহেতু মানবপাচারকারীরা আন্তর্জাতিক রুটে হিসেবে লম্বা সময় ধরে রুটটি ব্যবহার করে আসছে, সেখানে তাদেরই একজনকে হত্যা এবং তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার ধরন কিন্তু তাই বলে।
[৫] সবাইকে হত্যা করার চেষ্টা বিফলে যাওয়ায় বেঁচে যাওয়াদের মাধ্যমে চক্রটি নিজেদের কোনো ঝুঁকি নিতে চাইবে না বলেও যোগ করেন।
[৬] দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী এখন যারা রয়েছেন তারাই বা কতটা নিরাপদ এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, হয়ত সেটা হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে। তবে, বেঁচে যাওয়াদের টার্গেটে রাখতে পারে।
[৭] এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন টেলিফোনে আমাদের প্রতিবেদককে বলেন,  যেহতু এমন একটি ঘটনা ঘটেছে তারাসেটি আশঙ্কা করতেই পারেন। সেটা একদমই আমূল নয়।
[৮] আমিতো এখানে বসে ওখানের সেই পরিস্থিতি বুঝতে পারবোনা। দূতাবাস সেখানে এ নিয়ে তাদের কাজ অব্যাহত রেখেছে।
[৯] যেহেতু পাচারকারীদের একজন হত্যা হয়েছে, ওরা এখন ভাবতেই পারে বাংলাদেশিরাই মেরেছে। আসলে সেখানে আফ্রিকার চারজন নাগরিকও ছিলেন, তারাই মেরেছে।
[১০] যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে আসলে কোনো আইন চলে না। যুদ্ধকবলিত এলাকা হওয়ায় এবং লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরের এলাকা হওয়ায় রাজধানী ত্রিপোলির সাথে মিজদা শহরের যোগাযোগের ব্যবস্থাও বেশ খারাপ।
[১১] লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম বিষয়ক কাউন্সিলর অশরাফুল ইসলাম বিবিসিকে বলেছেন, লাশগুলো সংরক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় নিহতদের পরিবারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মিজদা শহরেই মরদেহগুলো দাফনের প্রক্রিয়া চলছে।
[১২] দাফন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কাজেই এটা মেনে নিতেই হবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়