প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেড়মাস পর করোনা পরীক্ষার সিরিয়াল পেলেন পোশাক শ্রমিক

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] শনিবার করোনা পরীক্ষার লাইনে দাঁড়ান পোশাক শ্রমিক রুমা আক্তার। তাকে বলা হয়, দেড় মাস পর এসে নমুনা জমা দিতে।

[৩] ১৫ দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন ওই পোশাক শ্রমিক। তার শারীরিক অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। যে পোশাক কারখানায় তিনি কাজ করেন, সেখান থেকে বলা হয়েছে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে আসতে হবে। তারপর কাজে যোগ দেয়া যাবে।

[৪] একই অবস্থা ৩২ বছর বয়সী রনি আহমেদের। তিনি বুধবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা দিতে যান। তবে তাকে বলা হয় জুন মাসের ২৭ তারিখ তিনি নমুনা জমা দেয়ার সুযোগ পাবেন।

[৫] জ্বর আর কাশির সমস্যায় ভুগছেন সাভারের আরেক পোশাক কারখানার শ্রমিক আনিসুর রহমান। বৃহস্পতিবার তিনি সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান করোনার নমুনা জমা দিতে। তবে তাকে বলা হয়, তার সিরিয়াল এক মাস পর। তখন এসে নমুনা জমা দিতে পারবেন তিনি।

[৬] ২০ বছর বয়সী ওই শ্রমিক বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমি তীব্র জ্বর আর কাশি নিয়ে করোনা পরীক্ষার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানকার কর্মকর্তারা আমাকে জানান, আমার নাম জুনের ৩০ তারিখে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তখন আমি জানতে পারব আমি করোনায় আক্রান্ত হয়েছি কি না। হতাশ হয়ে তিনি স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খাচ্ছেন। আনিসুর রহমান বলেন, আমি জানি না আমার করোনা হয়েছে কিনা তারপরও আমি করোনায় যেসব ওষুধ খেতে হয় সেগুলো খাচ্ছি।

[৭] একই অভিযোগ আরো অনেকের। তারা জানান, তাদের কারো সিরিয়াল কয়েক সপ্তাহ পর, কারো সিরিয়াল আরো পরে।

[৮] স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, দিনে ১০ জনের নমুনা পরীক্ষা তারা করতে পারেন। এর বেশি পারেন না।

[৯] সাভার অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথমে নাম লিপিবদ্ধ করতে হয়। এখান থেকে বলে দেয়া হয়, কে কখন করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা দিতে পারবেন।

[১০] উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, দিনে ৬০টি নমুনা সংগ্রহের ববস্থা আছে। তারপরও আমরা দিনে ৯০টি নমুনা সংগ্রহ করছি। সাভারে দিনে ৫০০ নমুনা সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।দেশরূপান্তর

সর্বাধিক পঠিত