প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা মহামারি দেশের অর্থনীতির দুর্বলতা উন্মোচন করেছে বাম জোট

মনিরুল ইসলাম : [২] বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ আয়োজিত ‘করোনাকালের অর্থনীতি-করোনাত্তোর অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং আগামী বাজেটে অগ্রাধিকার খাত কি হওয়া উচিৎ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক নেতা ও অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি শুধু স্বাস্থ্য খাতে রাষ্ট্রের অবহেলা ও মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরেছে তাই নয়, দেশের অর্থনীতির দুর্বলতা উন্মোচন করেছে।

[৩] শনিবার (৩০ মে) ওই অনলাইন মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বজলুর রশিদ ফিরোজ। আলোচনা অংশ নেন সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ্ উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক এম এম আকাশ, সিপিডি’র সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ড. বিনায়ক সেন, অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শারমিন্দ নিলোর্মী ডালিয়া, সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, মোশাররফ হোসেন নান্নু প্রমুখ।

[৪] সভায় আলোচকগণ বলেন, করোনা বিপর্যয় সামাল দিতে সরকার যে লক্ষাধিক কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে তা খেয়াল করলে দেখা যাবে সামগ্রীক অর্থনীতির ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ জনগণের বিষয়গুলো সেখানে তেমন গুরুত্ব পায়নি, গুরুত্ব পেয়েছে বড় ও মাঝারি শিল্প ও ব্যবসা খাত। ফলে সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। তারা আরো বলেন, বেসরাকরি খাতকে যে দেশে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, সেখানে করোনায় ক্ষতি বেশী হয়েছে। আর যেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত্বখাতের প্রধান্য আছে, সেখানে ক্ষতি কম হয়েছে। যার প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং বিপরীতে কেরালা, কিউবা, ভিয়েতনাম ইত্যাদি।

[৫] সভায় করোনা পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বাজেটে সুনির্দিষ্ট ভাবে সর্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, সর্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সকলের খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গবেষণা, সামাজিক নিরাপত্তা ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।

[৬] সভায় বক্তারা সরকার গঠিত কারিগরি পরামর্শক কমিটির কোন পরামর্শ না মেনে করোনা সংক্রমণের পিক সময়ে অফিস, দোকান, গণপরিবহন সব খুলে দেওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা প্রস্তুতি না নিয়ে জনগণকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্ত এখনই প্রত্যাহার করতে হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত