শিরোনাম
◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত ◈ মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২০, ০২:১৮ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২০, ০২:১৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিবিয়া : নিহত ২৬ জন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে না

ডেস্ক রিপোর্ট : লিবিয়ায় অপহরণকারীদের গুলিতে মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের মরদেহ মিজদাতেই দাফন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা। বিবিসি বাংলা

দূতাবাসের শ্রম বিষয়ক কাউন্সিলর অশরাফুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিবারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মিজদা শহরেই মরদেহগুলো দাফনের প্রক্রিয়া চলছে।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, "লাশগুলো সেখানে (মিজদায়) দাফন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কাজেই এটা মেনে নিতেই হবে।"

তিনি জানান ঘটনাস্থল মিজদার একটি হাসপাতালে বর্তমানে লাশগুলো রয়েছে।

"মিজদা খুবই ছোট একটি অনুন্নত শহর, সেখানে লাশগুলো সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই।"

এছাড়া যুদ্ধকবলিত এলাকা হওয়ায় এবং লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরের এলাকা হওয়ায় রাজধানী ত্রিপোলির সাথে মিজদা শহরের যোগাযোগের ব্যবস্থাও বেশ খারাপ বলে জানান আশরাফুল ইসলাম।

আর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সব ধরণের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় লাশগুলো মিজদা শহর থেকে সরিয়ে নেয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

"এসব কারণে লাশ হস্তান্তর করার বা লাশ বাংলাদেশে পাঠানোর কোনো সুযোগ আমরা দেখছি না। তাই আমরা লাশগুলো দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তাদের পরিবারের সাথে কথাবার্তা বলছি।"

আশরাফুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন যে আজ থেকেই লাশগুলো দাফনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকালে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের মিজদা অঞ্চলে অপহরণকারীদের গুলিতে ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। আহত হন আরো ১১ জন বাংলাদেশি।

তারা সবাই অবৈধভাবে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পারি দিয়ে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

  • সর্বশেষ