শিরোনাম
◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ ◈ আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ ◈ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২০, ০৩:৫৯ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২০, ০৩:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাসের ৫০ শতাংশ আসন ফাঁকা রাখা পরিস্থিতি ও আর্থিক বিবেচনায় কতটা সম্ভব?

রাশিদ রিয়াজ : [২] সন্দেহ নেই চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এধরনের সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করেই নেয়া হয়েছে। কিন্তু ঘনবসতির এ দেশে তা কতটা সম্ভব এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

[৩] যারা প্রতিদিন সকালে বাসে ঠেলাঠেলি করে অফিসে যান তারা এখন বাসের অর্ধেক আসনে যাবেন ও অর্ধেক আসন খালি থাকবে এটা মেনে নিয়ে আচরণগতভাবে সহিষ্ণুতার পরিচয় দেবেন তা কতটা আশা করা যায়?

[৪] সঙ্গত কারণে বাসের অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখলে মালিকরা ভাড়া বাড়াতে চাচ্ছেন এবং এ বাড়তি ভাড়া এই করোনা সংকটে পড়ে আর্থিক দুর্দিনে যাত্রীদের পক্ষে মেটানো কিভাবে সম্ভব?

[৫] বেশ কিছুদিন লকডাউন থাকার পর তা আংশিক ও পর্যায়ক্রমে তুলে নেয়ার পর সবার চাহিদা পূরণে রাস্তায় যে হঠাৎ যাত্রীদের প্রচÐ চাপ হবে তার জন্যে অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করা যায়নি বা হয়ত সম্ভবও নয়।

[৬] এরফলে ভীড় কিংবা ধৈর্যের সঙ্গে রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ গন্তব্যে যাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে এক সময় তাড়া নাজেহালের মধ্যে পড়বেন। করেনাভাইরাস এভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তো আছেই।

[৭] এমূহুর্তে অসুস্থ ও গর্ভবর্তীদের অফিসে যেতে বারণ করা হয়েছে কিন্তু তারা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে চাইলে তখন কি হবে?

[৮] অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন প্রয়োজনে কার্ফিউ দিতে হবে। কেউ বলছেন এভাবে লকডাউন রেখে একটা দেশ বা অর্থনীতি চলতে পারে না।

[৯] রোববার থেকে সারাদেশে গণপরিবহন, ট্রেন ও লঞ্চের চলাচল শুরু হচ্ছে। আর সোমবার থেকে সড়ক পরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবহনমালিকেরা চালক ও সহকারীদের মাস্ক সরবরাহ করবেন। বাস ছাড়ার আগে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। আর এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করবে বিআরটিএ, পুলিশ ও মালিকশ্রমিক সংগঠন। এ জন্য ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে তিনটি কমিটি কাজ করবে। এসব সিদ্ধান্ত কি বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব হবে?

[১০] সিদ্ধান্ত হয়েছে দূরপাল্লার বাসগুলো পথে কোথাও যাত্রী তুলবে না। তবে কেউ নামতে চাইলে নামানো হবে। যাত্রী নামার সময় কেউ উঠতে চাইলে সেই হাঙ্গামা কে সামলাবে?

[১১] বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খোন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেছেন পুলিশ ও বিআরটিএর সহায়তায় তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী তোলার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

[১২] আর যাত্রীরাও গন্তব্যে পৌঁছাতে গাড়িতে ওঠার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন। এটাই বাস্তবতা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়