প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনাভাইরাস ইস্যুতে এ বার পুলিশের বিক্ষোভ-ভাঙচুর সল্টলেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:[২] দু’সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় বার, ফের বিক্ষোভ-ভাঙচুরের পথে কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। এ বার কলকাতা পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে। আজ (২৯ মে) শুক্রবার বিকেল থেকেই সল্টলেকের এএফ ব্লকে দফায় দফায় চতুর্থ ব্যাটালিয়নের দফতর এবং ব্যারাকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পুলিশকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের লোকজনও। এ বারও অভিযোগের তির ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের দিকে। অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সুরক্ষা বর্ম এবং সরঞ্জাম ছাড়াই তাঁদের ডিউটিতে পাঠানো হচ্ছে এবং তাঁরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

[৩] ব্যাটালিয়ন দফতরের প্রধান গেট বন্ধ রেখে, ভিতরে আলো নিভিয়ে তান্ডব চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধ পুলিশকর্মীরা, এমনটাই অভিযোগ। ব্যাপক ভাঙচুরও চালানো হয় ভিতরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন কলকাতা পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। এর আগে পুলিশ ট্রেনিং স্কুল (পিটিএস) এবং গরফা থানায় একই কারণে বিক্ষোভ দেখান পুলিশ কর্মীরা।

[৪]ঘটনার সূত্রপাত আজ শুক্রবার সকাল থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, চতুর্থ ব্যাটালিয়নের এক পুলিশকর্মীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। চতুর্থ ব্যাটালিয়নে ব্যারাক ছাড়াও রয়েছে কোয়াটার্সও যেখানে পুলিশকর্মীরা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। সকাল থেকেই শুরু হয় পুলিশকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ। কমব্যাট ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের মতোই তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন কনটেনমেন্ট জোনে তাঁদের ডিউটি করতে হচ্ছে। অথচ তাঁদের জন্য নেই মাস্ক, গ্লভস বা পিপিই-র মতো সুরক্ষা সরঞ্জাম। অভিযোগ, স্যানিটাইজারের মতো ন্যূনতম জিনিসও অমিল।

[৫] প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিক্ষোভে শামিল হন তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও। বিকেল থেকেই বিক্ষোভকারীরা মারমুখী হতে শুরু করেন। অভিযোগ, বিক্ষোভকারী পুলিশকর্মীদের একটা বড় অংশ, চতুর্থ ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প চত্বরের আলো নিভিয়ে, কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে ভাঙচুর শুরু করেন। হাতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে ক্যাম্পে থাকা কিছু আধিকারিকরা তাড়া করেন। ভিতরে অফিস ভাঙচুর করেন। সেই সঙ্গে ক্যাম্পে ঢোকার সমস্ত গেট বন্ধ করে দেন।

[৬] দীর্ঘ ক্ষণ পরে রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ বিক্ষুব্ধদের একাংশকে শান্ত করে গেট খোলানোর ব্যবস্থা করেন শীর্ষ আধিকারিকরা। ভিতরে ঢুকে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন তাঁরা। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, পিটিএসে বিক্ষোভ হওয়ার পর, যে ইনসপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছিলেন জওয়ানরা, সেই আধিকারিকে বদলি করা হয়েছে। জওয়ানদের দাবি মেনে, এখনও পর্যন্ত ৭৩ জনকে কোয়রান্টিনে পাঠিয়ে কোভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে। তথ্য আনন্দবাজার ,

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত