প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে গুলির ঘটনা ব্যাংকিং খাতের জন্য নেতিবাচক

মো. আখতারুজ্জামান : [২] খেলাপি ঋণের কারণে দেশের ব্যাংক খাত এমনিতে ইমেজ সংকটে রয়েছে। এর মধ্যে এক্সিম ব্যাংকের এই ঘটানায় এ খাতকে নতুন করে ইমেজ সংকটে ফেলাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

[৩] বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, এটা যেহেতু একটা অঘটন ঘটে গেছে। আর বিষয়টা আদালত চলে গেছে। এটা নিয়ে এখন বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু করবে না। নিয়ম হচ্ছে ব্যাংক খাতে কোনো অঘটন ঘটলে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকে জানাতে হবে। তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

[৪] তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের পক্ষ থেকে যদি নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানায় তাহলে সেই বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

[৫] বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এটা শুধু ব্যাংক খাতের বিষয়ে নয় এতে সরকারের ভাবমুর্তি জড়িত। এতো বড় একটা ক্রাইম করে কিভাবে সেই ব্যক্তিরা দেশের বাহিরে চলে যেতে পারে। অন্যদিকে এটা ব্যাংকারদের মাঝে ভিতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে বলে তিনি মনে করেন।

[৬] সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংক খাতে এটা কল্পনাও করা যায় না। এর মাধ্যমে বুঝা যায় এ খাতে প্রশাসনিক কাটাম কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এসব বিষয়কে হালকাভাবে দেখলে চলবে না। এটার সঙ্গে আমাদের দেশের ইমেজ জড়িত।

[৭] অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি মাহবুবুর রহমান বলেন, এটি ব্যাংকারদের জন্য উদ্বিগ্নের বিষয়। এটা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য নেতিবাচক। এ ঘটনা দেশ বিদেশে আমাদের ইমেজের বিরুদ্ধে প্রচণ্ডভাবে কাজ করছে। এ মন ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না হয় সরকারকে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

৮] জানা যায়, সময়মতো ঋণ না পেয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে অস্ত্রের মুখে বাসা নিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে সিকদার গ্রুপের মালিক। এমনকি ব্যাংকটির এমডিকে উদ্দেশ করে গুলিও ছোড়েন সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার।

[৯] মামলার বাদি সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদারের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক। সিকদার গ্রুপ বিভিন্ন সময় মৌখিকভাবে ঋণ চেয়েছিল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত