প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ত্রাণ কার্যে বাধা ও হস্তক্ষেপ : টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান বরখাস্ত, এ নিয়ে বরখাস্ত হলো ৭২ জনপ্রতিনিধি

তাপসী রাবেয়া : [২] করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় জরুরি সরকারি ত্রাণকার্য পরিচালনায় বাধা ও অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-কে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা (নবীন)-কে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৮মে) স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

[৩] করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এ নিয়ে মোট ৭২ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এদের মধ্যে ২৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, ১ জন জেলা পরিষদ সদস্য, ২ জন পৌর কাউন্সিলর এবং ১ জন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান।

[৪] প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা (নবীন) সরকারি জরুরী ত্রাণ তার ইচ্ছামত তালিকা বহির্ভূতভাবে তাকে প্রদান না করার কারণে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআই)ও-কে মারধর, লাঞ্ছিতকরণ, প্রাণনাশের হুমকি, হেনস্থা ও সরকারি কর্তব্যপালনে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছেন। ইতিপূর্বে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রিজের টেন্ডারকাজে বাধা প্রদান ও সিডিউল বিক্রি না করার জন্য হুমকি প্রদানসহ ভূমিহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে অবৈধ হস্তক্ষেপ ও পিআইও-র নিকট চাঁদা দাবি করেন। এছাড়াও তিনি করোনাভাইরাস জনিত বৈশ্বিক মহামারিতে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা হিসেবে কর্মহীনদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে তালিকা প্রণয়নে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন।

[৫] প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, তার এহেন কর্মকাণ্ড উপজেলা পরিষদে কর্মরত কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে যা সার্বিকভাবে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম বাস্তবায়নে অচলাবস্থার সৃষ্টি ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশংকাসহ অন্যান্য উপজেলায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বিবেচনায় তার বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ { উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত} এর ১৩ ধারা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

[৬] তার স্বীয় পদে বহাল থেকে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করা রাষ্ট্র বা পরিষদের স্বার্থের হানিকর হতে পারে। তাই জনস্বার্থে তাকে উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ {উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত} এর ১৩খ ধারা অনুযায়ী  স্বীয় পদ হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত