প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প

লিহান লিমা: [২] মার্কিন গণমাধ্যমগুলা বলছে, এই নির্বাহী আদেশের ফলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর আইনগত সুরক্ষা বিনষ্ট হবে এবং সেখানকার ব্যবস্থাপকরা এই মাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। তবে এ আদেশ আইনি নিরীক্ষণে টিকে থাকবে কিনা তা নিয়ে বিশ্লেষকরা সন্দেহ পোষণ করছেন। ভয়েস অব আমেরিকা

[৩]বৃহস্পতিবার এই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, সামাজিক মাধ্যমগুলো সংবাদ সংস্থার চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। এটা খুব অন্যায়, আমরা এটা হতে দিতে পারি না ।

[৪]ট্রাম্প দাবী করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের বাক-স্বাধীনতাকে রক্ষা ও সমুন্নত রাখার জন্য তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির বর্তমানে আত্মরক্ষার যে ব্যবস্থা রয়েছে এই নির্বাহী আদেশের ফলে তা আর ব্যবহার করা যাবে না।

[৫]যোগাযোগ শালীনতা আইনের কারণে সংস্থাগুলি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কনটেন্ট বিষয়ে আইনি দায় থেকে অব্যাহতি পেয়ে থাকে। তবে এই আদেশের কারণে এখন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ কমিশনকে ঐ অব্যাহতির ব্যাখ্যা দিতে হবে। একই সঙ্গে অনলাইন সেন্সরশীপ নিয়ে অভিযোগ সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় বাণিজ্য কমিশন ও বিচার বিভাগে জমা দেওয়ার জন্য হোয়াইট হাউজের ডিজিটাল কৌশলের অফিসকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

[৬]গত সপ্তাহে টুইটার ট্রাম্পের টুইটে সত্যতা যাচাই সতর্কীকরণ আরোপ করে। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। এনডিটিভি

[৭]টুইটার সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, এটি যদি আইনত বন্ধ করা সম্ভব হত, তা হলে আমি তাই করতাম। ট্রাম্প আরো বলেছেন, যখন টুইটার, গুগল, ফেসবুক এবং অন্যান্য মাধ্যমগুলি নির্দিষ্ট পোস্ট সম্পর্কে তথ্য যাচাই বা উপেক্ষা করতে পছন্দ করে, তখন এটিকে ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড’ বলতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, তারা একটি মামলা করবে’।

[৮]তবে সামাজিক মাধ্যম নিয়ে বিষেদগার করা সত্তে¡ও কেনো নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট বাতিল করেন নি এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, আপনি যদি ভুয়া খবর প্রচার না করতেন, এ দেশে যদি ন্যায্য সংবাদ মাধ্যম থাকত, তা হলে আমি তা করতাম।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত