প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]করোনা কালীন ঈদে ফাঁকা রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্র, আড্ডা পাড়া-মহল্লায়!

মুসবা তিন্নি : [২] রাজশাহীতে ঈদের দিন প্রতি বছর চারদিকে থাকে নানা আয়োজন। পরিবার-পরিজন নিয়ে সবাই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। নগরীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো সাজে নতুন সাজে। বিশেষ করে পদ্মা পার এবং দুটি পার্ক ঘিরে লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। মহামারি করোনাভাইরাস সবকিছুতেই যেন বাদ সেধেছে। কোথাও বিনোদন প্রেমীদের আড্ডা দেখা যায়নি আজ সকাল থেকে।
[৩] তবে প্রায় দুই মাস ধরে চলমান সাধারণ ছুটিতে গৃহবন্দি মানুষ আজ ঈদের দিন পাড়া-মহল্লা ও মোড়গুলোতে আড্ডা মারতে দেখা যায়। পাড়ার রাস্তার ধারের চা-স্টলগুলোতেও কোথাও কোথাও চা বিক্রি করতে দেখা যায়।
[৪] আজ সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখা গেছে,  করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বন্ধ রয়েছে কামারুজ্জামান পার্ক,  ও শিশু পার্কসহ অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্র। ঈদের ছুটিতেও খোলেনি এসব বিনোদন কেন্দ্র। চিরায়ত উদযাপনের যে ধারা যুগ যুগ ধরে প্রচলিত তা এ বছরে পুরোপুরি বিপরীত।
[৫] আবার নগরীর পদ্মা পারেও ছিল না বিনোদনপ্রেমীদের আনা-গোনা। তবে পাড়া-মহল্লায় যুবক, কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষদের বসে থেকে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। নগরীর তেরখাদিয়া হেতেমখা উপশহর কলাবাগান আমবাগান চন্ডিপুর ভদ্রা ছোটবনগ্রাম বিভিন্ন এলাকায় এই চিত্র দেখা গেছে।
[৬] নগরীর উপশহর এলাকায় আড্ডা দিতে থাকা সোহেল রানা বলেন, অনেক দিন ঘরে ছিলাম। এই অবস্থায় যেন দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। তাই বছরের এই আনন্দের দিনে একটু বের হয়েছি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে। মনের মধ্যে কোন আতঙ্ক রয়েছে তবুও বের হয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে। অনেকদিন পরে আমাদের আড্ডা জমেছে। ভালো লাগছে অনেক।
[৭] এদিকে মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানগুলোও খুলতে দেখা যায়। চা খেতে থাকা শরিফুল ইসলাম বলেন, অনেকদিন চা খাওয়া হয় না বাইরে। তবে আজ বের হয়েছি চা খেতে। ঈদে আমরা অনেক আড্ডা দেয়। তবে এবার ঈদে করোনা আতঙ্কে তেমন আড্ডা হলো না।

সর্বাধিক পঠিত