প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ড. বে-নজীর আহমেদের মতে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না[২] সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত নয় [৩] লকডাউন শিথিল বিপজ্জনক

দেবদুলাল মুন্না : [৪]তিনি আরও বলেন, করোনা মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছয়টি পয়েন্ট বাংলাদেশ এখনো পূরণ করতে পারেনি।এ তিনটি সমস্যা ছাড়াও সমস্যার মুলে দেখা যাচ্ছে সিদ্ধান্তহীনতা কিংবা অন্য অর্থে বলা যায়, দূরদর্শিতার অভাব। যেমন, বায়োসেফটি বা জৈবনিরাপত্তা বলতে বিশ্বজুড়ে জীবাণু পরীক্ষা করার মানকে বোঝায়। প্রথমে আমাদের দেশে খাবা হয়েছিল, এটা একমাত্র আইইডিসিআরই নিশ্চিত করতে পারবে।অথচ আমার জানামতে, বাংলাদেশের ১৫-২০টি ল্যাবে বায়োসেফটি বজায় রেখে পরীক্ষা করার সক্ষমতা আছে। কিন্তু সরকারের কাছে এ তথ্য ছিল না।

[৫]অথচ এখন ঢাকায় ১৭টি ও ঢাকার বাইরে ১৬টি নিয়ে করোনা পরীক্ষার মোট ল্যাবরেটরির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩টি। দৈনিক নমুনা পরীক্ষা পাঁচ হাজারে পৌঁছেছে। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার গতি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান এমনকি পরীক্ষার কিটসহ অন্যান্য লজিস্টিকের অভাবের কথাও জানা যাচ্ছে।

[৬]পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় কাদের পরীক্ষা করা হবে। সংক্রমণের সন্দেহভাজনদের মধ্যে একটি হলো, করোনা রোগীর সংস্পর্শে যারা আসছেন কিংবা করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে আসছেন, তাদের স্বাস্থ্য বিভাগ খুঁজে বের করবে। একে বলে ট্রেসিং। দ্বিতীয় বিষয় হলো, কোনো চিকিৎসক যদি কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনার উপসর্গ পান, তাহলে তিনি ওই রোগীকে রেফার করতে পারেন। তৃতীয় বিষয় হলো, কোনো ব্যক্তির যদি মনে হয়, তার করোনা হয়েছে, তাহলে নিজেই পরীক্ষা করাতে পারেন। এগুলো হলো কারও কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহের পদ্ধতি।

[৭] তিনি বলেন, লকডাউন শিথিল করে হার্ড ইমিউনিটির কথা বলা হচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বিপণিবিতান-মার্কেট খুলে দিয়ে, মসজিদ খুলে দিয়ে, গণপরিবহণ ছাড়া ব্যাক্তিগত গাড়ি চলাচলের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।এ পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়বে ছাড়া কমবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত