প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোটি কোটি টাকা লোকসানের মুখে কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া

শাহীন খন্দকার : [২] নতুন শিক্ষাবর্ষের আগে ছাপানো হয়ে গিয়েছিল বিভিন্ন ক্লাসের পাঠ্যপুস্তক। করোনা সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন চালু হওয়ার জেরে সেই বই আর হাতে পায়নি পড়ুয়ারা। কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়ায় বহু দোকানে, প্রেসে এবং গুদামে অন্য বইয়ের সঙ্গে মজুত করা ছিল পাঠ্যপুস্তকও।

[৩] আমপানের তাণ্ডবে নষ্ট হয়ে গেল এমন অংসখ্য বই। কলেজ স্ট্রিটের বই ব্যবসায়ী ও প্রকাশকেরা জানাচ্ছেন, এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি তাঁরা আগে দেখেননি। সব মিলিয়ে যত টাকার বই নষ্ট হয়েছে তার পুরো আন্দাজ এখনও পাওয়া যায়নি।

[৪] এদিকে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে বৃষ্টির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দোকানগুলির শাটার ভেতকরে, দরজার ভিতর দিয়ে, জানলার ফাঁক দিয়ে জল ঢুকে যায়।’’ ত্রিদিববাবু জানিয়েছেন, লকডাউনের জেরে ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছিলই। আমপান সেই ক্ষতি বাড়িয়ে দিয়েছে বহু গুণ। আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বহু বই ব্যবসায়ী হয়তো আর ঘুরে দাঁড়াতেই পারবেন না।

[৫] তাই কলেজ স্ট্রিট বইপাড়ার ব্যবসায়ীরা আর্থিক সাহায্য চেয়ে শুধু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও চিঠি লিখেছেন। ত্রিদিববাবু জানিয়েছেন, কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় পৃথিবীর বহু দেশ অংশগ্রহণ করে।তথ্য আনন্দবাজার, সে সব দেশের মানুষ, প্রকাশকদের এবং বিশিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বইপাড়ার তরফ থেকে তাঁরা সাহায্যের আবেদন করবেন।

[৬] আমপানের কথা জানতে পেরে ইতিমধ্যেই কয়েক জন বিদেশ থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান ত্রিদিববাবু।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত