প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণস্বাস্থ্যের টেস্টিং কিটের ব্যবহার কি মৃত্যুর পরে টেস্ট করানোর চেয়েও খারাপ?

হাসনাত কাইয়ূম : পরিস্থিতিটাকে ঠিক কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়? প্রতিদিন আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে। দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, যে পরিমাণ রোগী শনাক্ত করা গেছে, প্রকৃত রোগী তার চেয়ে অন্তত ৪০ গুণ বেশি হবে। গণস্বাস্থ্য একটা টেস্টিং কিট বানায়ে দুয়ারে দুয়ারে অনুমোদনের জন্য ঘুরছে কিন্তু কর্তৃপক্ষ নানা বাহানায় তা প্রত্যাখ্যান করছে। প্রতিদিন মানুষের চলাচল নিয়ে নতুন নতুন অমানবিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সরকারি দলের ডাক্তার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পত্রিকার সাথে বলছেন যে সময় পেয়েও সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি।

 

আর সরকারের মন্ত্রী-প্রশাসনের কথা শুনলে মনে হয়, করোনা নির্মূল করা হয়ে গেছে এবং এ নির্মূলের কৃতিত্ব যে একজনের এটা সবাই স্বীকার করে নিলেই আপাতত আর কোনো ঝামেলা থাকে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দেবদাস স্যারের কথা মাথায় আসে। কিন্তু আমাদের দেবদাসদের তো আমরা কাজে লাগাতে পারি না। কী করার থাকে এমন সময়ে? এই মুহূর্ত থেকেও কি কিছু করার আছে? নাকি আমাদের সব শেষ? আমাদের কি ফেরার কোনো পথ আর অবশিষ্ট নাই? আমরা কি একে একে মরবো অথবা মরে যাওয়াদের তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো শুধু? এথনো যদি ব্যাপক টেস্ট করা যেতো সস্তায়, গণস্বাস্থ্যের মতো কিট দিয়ে, কম ঝুঁকিতে, মানুষকে রাস্তায় রাস্তায় দিনের পর দিন না ঘুরিয়ে, আমরা কি আর একটু কমাতে পারতাম ঝুঁকিটা? যারা এই পরীক্ষার নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলেন, তারা কি দয়া করে বলবেন, এটা কি মরার পরে টেস্ট করার চেয়েও খারাপ কিছু? আমাদের ডাক্তাররা কি আরেকটু ঐক্যবদ্ধ হতে পারেন না এই সময়ে?

 

ডা. আব্দুল্লাহ, ডা আর্সলানরা যতোদূর এগিয়ে এসেছেন, অন্যরা কি এর থেকে কোনো ভালো কিছু করার উদ্যম পেতে পারেন না?
শুধু কয়েকটা ওষুধ কোম্পানির মুনাফার কাছে আমাদের হাজার হাজার ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের জীবনকে জুয়ার গুটি বানাতে দেবো? আমাদের লাখ লাখ মানুষের জীবনকে হত্যা করতে দেবো? একটু ভাববেন? ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত