শিরোনাম
◈ মব–গণপিটুনিতে জানুয়ারিতে নিহত বেড়ে দ্বিগুণ, বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশ: এমএসএফের প্রতিবেদন ◈ মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলায় বিক্রি ৩৯৩ কোটি টাকা ◈ আর্থিক ধসের মুখে জাতিসংঘ, সদস্য দেশগুলোকে গুতেরেসের জরুরি চিঠি ◈ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত, কাজ শুরু শিগগির ◈ জাইমা রহমানকে সামনে এনে কী বার্তা দিচ্ছে বিএনপি ◈ এ মৌসুমের জন্য শেষ হলো পর্যটকদের সেন্টমার্টিন যাত্রা, ফের ভ্রমণে ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা ◈ নির্বাচন ঘিরে পার্শ্ববর্তী দেশ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: নাহিদ ইসলাম ◈ ১২ ঘন্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না হলেই বুঝবো অসৎ কোনো উদ্দেশ্য আছে : মির্জা আব্বাস  ◈ যারাই বিভ্রান্ত করতে আসবে দেখামাত্র বলবেন, ‘গুপ্ত’ তোমরা: তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া উৎসব ভাতা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২০, ১০:২৫ দুপুর
আপডেট : ২২ মে, ২০২০, ১০:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘জীবনেও এমন ঝড় দেখিনি’

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] ঘূর্ণিঝড় আম্পান দেড়শ কিলোমিটারের বেশি বেগে বয়ে গেছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলার ওপর দিয়ে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহীসহ মোট ১৯টি জেলাকে ক্ষতবিক্ষত করেছে ঝড়ের তান্ডব। দীর্ঘস্থায়ী এ ঘুর্ণিঝড় যেন ওইসব এলাকার বাসিন্দাদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা।

[৩] ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জের কাদিরকোল গ্রামের আব্দুল করিম বিশ্বাস। ৬৫ বছর বয়সে অনেক ঝড়ের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। অভিজ্ঞতা থেকে বললেন, ‘এক কথায় জীবনেও এমন ঝড় দেখিনি। বুধবার সকাল থেকেই ঝুম-ঝুম বৃষ্টি। সময় যত গড়াতে থাকে, বাড়তে থাকে বাতাসের গতি। সন্ধ্যার পর শুরু হয় আম্পানের তা-ব। আমাদের এখানে রাত ৯টার দিকে ঝড়ের গতি সর্বোচ্চ বেড়ে যায়, সঙ্গে বৃষ্টি। প্রচ- গতি ছিল রাত আড়াইটা-তিনটা পর্যন্ত। এর পর বৃষ্টি কমে গেলেও ঝড়ের গতি কমে আসতে ভোর হয়ে যায়।’

[৪] তিনি বলেন, ‘রাত ১০টার পর আমার পাড়ার দুই-একটি পাকা বাড়ি ছাড়া বেশিরভাগ আধাপাকা ও কাঁচা বড়ির লোকজন ভীত-সন্ত্রন্ত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে টিকতে না পেরে পাড়ার লোকজন দুটি পাকা বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। বাড়ি দুটি যেন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়। সকালে দেখা যায় অনেকের ঘরের টিন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর পর মাঠের দিকে গিয়ে যে ক্ষতি প্রত্যক্ষ করি, তা আর ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’

[৫] কৃষিজীবী আব্দুল করিম বলেন, ‘আমার গ্রামের বেশির ভাগ লোকই কৃষক। সবার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ হওয়া কঠিন। একটি গাছেও আম নেই। দুই-একটি ছাড়া বাগানের গাছগুলো হয় ভেঙে গেছে, নইলে উপড়ে পড়েছে। একটি কলাগাছও নেই। মাঠে অনেকের ধান ছিল, সেগুলো পানিতে ভেসে গেছে। অর্থনৈতিকভাবে আমরা পঙ্গু হয়ে গেলাম।’আমাদের সময়, যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়