প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কতো কিছুই তো পুড়ে, না হয় পুড়লো একজন বাউলের ভিটে!

অঞ্জন রায়

কতো কিছুই তো পুড়ে, না হয় পুড়লো একজন বাউলের ভিটে। পুড়িয়ে তো অনেকেরই সুখÑ তাই কখনো কি ওনঝাড়ের আদিবাসী গ্রামে কুষ্ঠরোগীদের সেবার ব্রতে থাকা গ্রাহাম স্টুয়ার্ড স্টাইন পুড়ে মরে যান অসহিষ্ণুতার আগুনে, কখনো বাউল স¤্রাট শাহ আবদুল করিমের শিষ্য বাউল রণেশ ঠাকুরের আসরঘর পোড়ে, পোড়ে রনেশ ঠাকুর ও তার সঙ্গীদের ৪০ বছরের বাদ্যযন্ত্রও। পুড়–ক, তবুতো আগুন কিছু খাবার পেয়েছে! এখন তো এই ডানে মোড় ঘুরতে থাকা গ্রহে অসহিষ্ণুতারই উল্লাসকালÑ তাই এমন দু’একটা আগুন, কিছু গান, বাদ্যযন্ত্র পুড়তেই পারে। ব্যাপার না তেমন কিছু এটি। এসব বিষয় থাকÑ আসুন আমরা আলোচনা করি, আগামী উৎসবে কারা এলে আরো জমজমাট হবে নাগরিক হল্লা? সেলফির জন্য রণেশ ঠাকুর বড্ড বেমানানÑ ফেম না থাকলে কিসের বাউল? আমাদের একটা হাইট আছে না? নির্বাচিত মন্তব্য : হারিস পাটোয়ারী- ১৯৪৭ সালে যাননি, ১৯৭১ সালে সুযোগ থাকার পরও যাননি শুধু এই বাংলার মাটি, মানুষ, মাকে ভালোবেসে রয়ে গেলন। দেশটাকে ভালবেসে আছেন। আমি তাই আপনাদের সম্মানের চোখে দেখি। দাদা মন পুড়ে। কিন্তু কিছুই করতে পারছি না, না পারছে রাষ্ট্র। এই ব্যথা কারে দেখাই। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত