প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] একটু দেরিতে হলেও আমাদের কাজগুলোর মধ্যে সমন্বয় আসছে : মামুন রশীদ

প্রিয়াংকা আচার্য্য : [২] বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সময় সম্পাদকীয়তে আরও বলেন, দেশে শস্য উৎপাদন এবার ভালো হয়েছে। আমাদের গ্রামগুলোতে আগের মতো হাহাকার নেই, এটা আশার দিক। কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে হাওড়ের ৯০ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার ধানও কাটা হচ্ছে।

[৩] আমাদের সমস্যাটা চাহিদা চাঙ্গা করার। কৃষক যদি তার পণ্য নগরে বন্দরে বিক্রি করতে পারে, সে যদি তা ন্যায্য দাম পাবে। বলা হচ্ছে, দুই কোটি জনগণ এখন ডিসপ্লেসমেন্টের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত আছে। তাদের যদি আমরা নগর সহায়তা দিতে পারি। তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে পারি, তারা সেই টাকা দিয়ে কৃষকের পণ্য কিনবে। যা অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।

[৪] গার্মেন্টসগুলো এর মধ্যে চালু হয়েছে। এগুলো যদি প্রণোদনা পায়, কিছুটা উজ্জীবিত হয় তাহলেও কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হবে।

[৫] এর মধ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ন্যূনতমভাবে ঢেলে সাজানো দরকার। নিকট অতীত পর্যন্ত আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সমন্বয়ের অভাব আমরা দেখেছি।

[৬] চিকিৎসা সেবা মহান পেশা হলেও আমরা এখন রোগীদের হাসপাতালগুলোতে বিড়ম্বনার শিকার হতে দেখছি। বিশেষ করে নন কোভিড রোগীরা। আর কোভিড আক্রান্তরাও টেস্ট করাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানিতে পরছেন।

[৭] এখন উচিত হবে সত্যিকার অর্থে রোগীদের জন্য ন্যূনতম স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। যাদের জরুরী দরকার তাদের নগদ অর্থ বা ত্রাণ প্রদান করে আরও এক বা দুই মাস ঘরে রাখার ব্যবস্থা করা। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনা। শিল্পকারখানাগুলোকে প্রণোদনা দিয়ে উজ্জীবিত করা। এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে আমার ধারণা সংকট মোকাবেলা করতে আমরা সক্ষম হবো। সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত