প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিসিক শিল্পনগরীগুলোতে প্রতিদিন ১,৯০০ টন চাল উৎপাদিত হচ্ছে

মো. আখতারুজ্জামান : [২] করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন শিল্পনগরীগুলোর চাল উৎপাদনকারী শিল্প ইউনিটসমূহে উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

[৩] বিসিক সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে বিসিকের ৭৬টি শিল্পনগরীর মধ্যে ১৩টি শিল্পনগরীতে চাল উৎপাদিত হচ্ছে। করোনা সংকটকালে দেশের অভ্যন্তরীণ চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এগুলোতে উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিসিক শিল্পনগরী পাবনায় দৈনিক ৬০০ মেট্রিক টন, রাজশাহীতে দৈনিক ৫৫০, দিনাজপুরে ৪০০, নওগাঁতে ১২০, খুলনাতে ১০৩, কুড়িগ্রামে ২৭, কক্সবাজারে ২৫, জামালপুরে ২৩, গাইবান্ধায় ২০, শেরপুরে ১৮, রাজবাড়ীতে ৯, গোপালগঞ্জে ৩ এবং বাগেরহাটে ২ টন উৎপাদিত হচ্ছে।

[৪] পাবনা বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা মো. কামাল পারভেজ জানান, শিল্পনগরীতে ৩৯ টি রাইস মিল রয়েছে। মিলগুলোতে দৈনিক ৬০০ টন চাউল উৎপাদিত হচ্ছে, যার বাজার মূল্য দুই কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ টাকা।

[৫] তিনি বলেন, পাবনা বিসিকের এ.আর.স্পেশালাইজড অটো রাইস মিলস দেশের অন্যতম প্রসিদ্ধ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চালকল। এ চালকলসহ পাবনা শিল্প নগরীর বিভিন্ন রাইস মিলে উৎপাদিত চাউল রাজশাহী, রংপুর ও ঢাকা বিভাগসহ সারাদেশে সরবরাহ করা হয়।

[৬] বিসিক শিল্প নগরী খুলনায় টানেল ভিটামিন চাল, ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ফুড ফ্রেন্ডলি প্রোগ্রাম, সরকারের ত্রাণের চালসহ উন্নতমানের চাল উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পনগরী কর্মকর্তা শেখ রিয়াজুল ইসলাম।

[৭] নওগাঁ বিসিক শিল্পনগরী মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আতাউর রহমান জানান, বর্তমান বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহ চলছে। ধান সংগ্রহ শেষ হলে চাল কলগুলোতে উৎপাদন আরো বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত