প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা পরিস্থিতি সামলাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ নির্দেশনা, চিঠি পাঠানো হয়েছে সব সরকারি দপ্তরে

আনিস তপন ও তাপসী রাবেয়া : [২]করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও ব্যাপক বিস্তার রোধে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সব সরকারি অফিসে জীবাণুনাশক টানেল ও থার্মাল স্ক্যানার বসানোর নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ১১ মে সোমবার সব সরকারি অফিসে পাঠানো হয়। চিঠিতে এসব স্বাস্থ্য নির্দেশনা পরিপালন করা হচ্ছে কিনা, সেটি নজরদারির জন্য একটি ভিজিল্যান্স টিম গঠনের কথাও বলা হয়েছে।

[৩] সোমবার (১২ মে)  এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে তারা।

[৪] স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অফিসগুলোয় প্রয়োজনীয় সংখ্যক জীবাণুমুক্তকারী টানেল স্থাপনের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে। অফিস চালুর আগে অবশ্যই প্রতিটি অফিস কক্ষ, আঙ্গিনা ও রাস্তাঘাট জীবাণুমুক্ত করতে হবে। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার বা থার্মোমিটার দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে অফিসে প্রবেশ করতে হবে।

[৫]নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অফিসের পরিবহনগুলো অবশ্যই শতভাগ জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। যানবাহনে বসার সময় পারস্পরিক শারীরিক দূরত্ব ন্যূনতম তিন ফুট বজায় রাখতে হবে এবং সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যাত্রার আগে ও যাত্রাকালীন পথে বারবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাওয়ার সময় শারীরিক দূরত্ব ন্যূনতম তিন ফুট বজায় রাখতে হবে। প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পরে সাবান দিয়ে জীবাণুমুক্তকরণ নিশ্চিত করতে হবে। অফিসে কাজ করার সময় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কর্মস্থলে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং ঘন ঘন সাবান পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

[৬]এছাড়া মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সার্জিক্যাল মাস্ক বা তিন পরত স্তরবিশিষ্ট কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, যা নাক ও মুখ ভালোভাবে ঢেকে রাখবে। সার্জিক্যাল মাস্ক শুধু একবার ব্যবহার করা যাবে, কাপড়ের মাস্কের ক্ষেত্রে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।

[৭] নির্দেশনা অনুযায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন সাধারণ নির্দেশনাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিয়মিত মনে করিয়ে দিতে হবে এবং তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা, তা মনিটরিং করতে হবে। ভিজিলেন্স টিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া দৃশ্যমান একাধিক স্থানে ছবিসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশনা ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

[৮] নির্দেশনায় কোনো কর্মচারীকে অসুস্থ পাওয়া গেলে তাত্ক্ষণিকভাবে তাকে আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও উলে­খ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত