প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাওয়ার জন্য বাঁচি, না বাঁচার জন্য খাই?

শফিকুর রহমান : লক্ষ্য করি খাওয়ার প্রায় সব পণ্যই হাইব্রিড জাতীয়। হাইব্রিড বিষয়টি যারা বোঝেন তারা জানেন, কেন এটা করা হয়? এতে খাবারের পরিমাণ বাড়ানো যায়, পুষ্টিগুণ কি বাড়ে? এই হাইব্রিড ধারণা আসার পর আমাদের বিগত বছর বিশেক আগের দেশীয় ফল, ফসলসহ অসংখ্য খাদ্য বীজ কি আমরা হারিয়ে ফেলিনি? খাবারের স্বাদে কি কোনো পরিবর্তন ঘটেনি? জানি প্রকৃতিতেও হাইব্রিড আছে। তার মানে প্রকৃতি সেটার অনুমোদন দেয়। কিন্তু সেটাকে বলে ‘ব্যতিক্রম’। ব্যতিক্রম কি সার্বজনীন? ব্যতিক্রম হচ্ছে বিরল ঘটনা। কিন্তু এটাকেই আমরা নিয়মিত করে ফেলেছি। এবার আমরা জিএমও ফল, ফসল উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছি। এতে করে আমরা ‘বাঁচার জন্য খাই’ কথাটি নিকট ভবিষ্যতে আর হয়তো পরবর্তী প্রজন্মের নিকট থেকে আর শুনতে পাওয়া যাবে না। কারণ প্রকৃতি বা গতি পরিবর্তন করে কোনোভাবেই মৌলিকত্ব ঠিক রাখা সম্ভব নয়। প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞানীরা এসব নিয়ে কাজ করে থাকেন। আচ্ছা বলুন তো
১. রাশিয়া কেন এখনো জিএমও ফসল ফলায় না। অথচ রাশিয়া তো কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বড় শস্য রপ্তানিকারক দেশ। ২. ইরান কেন জিএমও ফসল উৎপাদনের বৈধতা দিয়ে পরে আবার তা বাতিল করে দেয়? ৩. ইউরোপ, জাপান, জার্মান কি জিএমও ফসল উৎপাদন করে? উত্তরগুলো জানা তো কঠিন নয়। উৎপাদন বাড়ানোর কথা বলে মৌলিকত্ব নষ্ট করার এ প্রক্রিয়া প্রতিনিয়ত আমাদের খাওয়ার জন্য বাঁচার অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে নয় কি? আসুন না ‘বাঁচার জন্য খাওয়ার’ ফসল উৎপাদনে মনোযোগী হই। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত