প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রথম লকডাউনের আওতায় আসা সেই টোলারবাগ হতে পারে মডলে

সুজন কৈরী : [২] রাজধানীতে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়েছিল মিরপুরের টোলারবাগে। এরপর ধীরে সেখানে বাড়তে থাকে করোনা শনাক্তদের সংখ্যা। গত ২২ মার্চ রাজধানীতে প্রথম লকডাউনের আওতায় আসা টোলারবাগে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। ১০ এপ্রিলের পর এখানে নতুন কোনো করোনা শনাক্ত হয়নি।

[৩] টোলারবাগ মডেল অনুকরণীয় হতে পারে মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিস্তার কমাতে যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি কঠোরভাবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।

[৪] এছাড়া টোলারবাগের পর বাসাবো এলাকাতেও বাড়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা। গত ৫ এপ্রিল ক্লাস্টার ঘোষিত বাসাবোর অবস্থা এক মাস পর অনেকটা স্থিতিশীল। লকডাউন মেনে চলা আর সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত করাতেই এ উন্নতি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

[৫] আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, এ এলাকার জনগণরা লকডাউন মেনে চলেছেন। আইইডিসিআর সেখানকার প্রত্যেকটা ঘরের খবর নিয়েছে।

[৬] রাজধানীর অন্য সব এলাকার চিত্র ততটা আশাব্যঞ্জক নয়। দেশে মোট শনাক্তের ৫৮ ভাগেরও বেশি ঢাকার বাসিন্দা। টোলারবাগ আর বাসাবোয় যেখানে আক্রান্ত ১৯ আর ৪৩, সেখানে শতাধিক সংক্রমিত রয়েছে ৩টি এলাকায়। আরো ১০ এলাকায় শনাক্তের সংখ্যা অর্ধশতাধিক।

[৭] একজন বলেন, কেউ লকডাউন মানছে না, সতর্কতা মানছে না। যে যার মতো চলছে।

[৮] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে সংক্রমণের লাগাম টানতে মানুষের সতর্কতার পাশাপাশি জোর দিতে হবে আক্রান্ত শনাক্তের ওপর।

[৯] আইইডিসিআর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, এখন ঢাকার শহরের সুবিধাটা হলো ক্লাস্টারে সক্রমণটা আছে। এই ছোট ছোট এলাকা সক্রমণ বাড়তে বাড়তে বড় হয়ে গেলে বিপদ হবে। ঘরে ঘরে গিয়ে রোগী শনাক্ত করতে হবে।

[১০] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজীর আহমেদ বলেন, বিকল্প যেটা হতে পারতো সেটি হলো লকডাউনকে আরও স্ট্রিক করা। সেখানে সেটি আরও শিথিল হচ্ছে।

[১১] লকডাউনে শিথিলতা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্র : সময় টিভি অনলাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত