প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে ‘মুজিব পাগল’ বাদশার পাশে শ ম রেজাউল করিম

সুজিৎ নন্দী: [২] ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে পিরোজপুরের নাজিরপুরে ‘মুজিব পাগল’ এক ব্যক্তির পাশে দাঁড়ালেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম। তিনি বাদশার জন্য নগদ টাকা ও জামা-কাপড় পাঠিয়েছেন এক প্রতিনিধির মাধ্যমে। ওই মুজিব পাগল বাদশার নাম বাদশা আকন (৫৫)। তিনি উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুগারজোর গ্রামের মৃত আতাহার আকনের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে ‘আওয়ামী লীগ বাদশা’ নামে পরিচিত।

[৩] জানা গেছে, তিনি অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন। পারিবারিকভাবে অত্যন্ত অস্বচ্ছল। তাই তার করুণ দশা দেখে স্থানীয় যুবলীগ নেতা বাদশার ২টি ছবি দিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেই স্ট্যাটাসে লেখা ছিল ‘এই সেই আমাদের বাদশা ভাই, তিনি ৯ নম্বর কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের একজন সাধারণ কর্মী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং আর্থিকভাবে অভাব অনটনের কারণে ঠিকমতো চিকিৎসা করতে পারছেন না। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি’।

[৪] গত শুক্রবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জানার পরেই তার প্রতিনিধির মাধ্যমে বাদশার জন্য ২টি লুঙ্গি, ২টি গামছা, ২টি গেঞ্জি, ১টি শার্ট ও ১টি পাঞ্জাবিসহ ৫ হাজার টাকা পৌঁছে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসানাত ডালিম, বৈঠাকাটা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা প্রমুখ।

[৫] এ সময় বাদশা ভাই বলেন, আমি আমার সারাটি জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে রেখেছি। আজ আমি সার্থক, আমি মন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। কেউ যখন আমার খোঁজ রাখেনি তখন মন্ত্রী আমার জন্য টাকা ও জামা-কাপড় পাঠিয়েছেন।

[৬] পিরোজপুর-১ আসনের এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম বলেন, বাদশা আকন একজন মুজিব প্রেমী আওয়ামী লীগ কর্মী। আমি তার সমস্যার বিষয় ফেসবুকের মাধ্যমে ঐ রাতে জানতে পেরে তার জন্য উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি।

[৭] ইতোমধ্যে তিনি পিরোজপুরে করোনা পরিস্থিতিসহ অসহায় মানুষদের জন্য করনীয় নিয়ে বৈঠক করেন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন।

[৮] তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পিরোজপুর শহরের কামার, কুমার, তাঁতী, জেলে, হরিজন, নরসুন্দর, রজকদাস, শাঁখারী, সৎকারকর্মী, হরিদাস, ঋষি, স্বর্ণকার কারিগরসহ ১১ ধরণের পেশায় নিয়োজিত কর্মজীবিদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

[৯] এরই মধ্যে তিনি পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলায় প্রায় ৩৪ হাজার কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষ, নিম্ন মধ্যবিত্তসহ বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের খাদ্য সহায়তা ও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত