প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অসুস্থ হবার টাইম এটা না

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] তদ্বির না করলে আইইডিসিআর থেকে সহজে নমুনা সংগ্রহ করতে আসে না কেউ। তাই নমুনা সংগ্রহ করতে হতে পারে হাসপাতালে এডমিটের জন্য এরকম সিচুয়েশনে যত আগে সম্ভব যোগাযোগ করুন দেরি না করে।

[৩] যে হাসপাতালে নেন, নমুনার রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত ডাক্তাররা কোভিড পেসেন্ট হিসেবে ট্রিট করবে রোগিকে।এটা ম‚ল রোগের ডায়াগনোসিস ও ট্রিটমেন্টকে বিলম্বিত করবে।পেশেন্ট এর রোগের ধরনই যদি এমন হয় যে দ্রুত প্রপার মেডিকেশন লাগবে, সে ক্ষেত্রে ভাগ্য আপনার সহায় হউক।আমার বাবার ক্ষেত্রে ভাগ্য সহায় হয়নি। ডায়াগনোসিস, ট্রিটমেন্ট দুই ই দেরি হয়ে গিয়েছিলো।

[৪] রোগির যদি কোনোক্রমে শ্বাসকষ্ট হয়ে যায়, প্রায় প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতালই এডমিশন নিতে গড়িমসি করবে এবং এই সময়ে তদ্বিরেও কাজ হবে না। বাবা হসপিটালে থাকার একই সময়ে আমার মায়েরও এ্যানেমিয়া হার্ট অ্যাটাকের কারনে ব্রিদিং সমস্যা হওয়ায় ৩/৪ টি হাসপাতাল ঘুরেও এ্যাডমিশন হচ্ছিলো না। পরিচিত ডাক্তারের থ্রুতে শেষ মেষ মোটামুটি মানের একটা হাসপাতালে জায়গা হয়,না হলে অ্যাম্বুলেন্সেই মাকে হয়তো হারাতে হতো বাবার সাথেই।কাজেই হাসপাতালের সাথে তর্ক না জুড়ে বরং এফোর্ট দিন কোনো হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে,সেটা মোটামুটি হলেও।

[৫] প্রাইভেট হাসপাতালে নিলে সেটি কোভিড ১৯ এর জন্য ডেডিকেটেড হোক না হোক, ডাক্তারদের পিপিই এর বিল আপনার ঘাড়ে আসবে মেডিকাল ডিসপোসেবলস হেডিং এর ভিতর।সো বিল শক একটু লাগতে পারে,রেডি থাকুন।

[৬] প্রয়োজনীয় ডাক্তার বা স্পেশালিস্টদের একসাথে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। কেউ ছুটিতে,কেউ আসা বাদ দিয়েছে,কেউ ২/৩ দিন আসে। কম এক্সপার্টদের হাতে মাঝেই মাঝেই ছেড়ে দিতে হবে আপনার পেশেন্টকে ।

[৭] পরিশেষে…এটা অসুস্হ হওয়ার সময় না,করোনা ভাইরাসে ধরলে এক সেন্সে কোন না কোন হাসপাতালে হয়তো এ্যাডমিশন পেয়েও যেতে পারেন, সুস্হও হয়ে যাবেন মেবি ঘরে থেকেও। কিন্তু নন করোনা কোন রোগের টাইম এটি না…স্পেশালি একটু জটিল ধরনের কিছু হলে।তাই সুস্হ থাকেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান…যাতে হাসপাতাল থেকে, ডাক্তার থেকে দুরে থাকতে পারেন শত হস্ত।”

প্রয়াত ড. সাদাত হুসেইন এর ছেলে সাহজেব সাদাতের টাইম লাইম থেকে

সর্বাধিক পঠিত