প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোরবানির গরু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় খামারিরা

বাংলা নিউজ : [২] দেশে প্রতিবছর কোরবানিতে এক কোটির বেশি গবাদি পশুর চাহিদা থাকে। এর প্রায় অর্ধেকটা পূরণ করে থাকেন দেশীয় খামারিরা। বাকিটা আসে ভারত থেকে। দেশের খামারিরা কোরবানির ৬-৭ মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। কোরবানি ঈদের চার মাস বাকি থাকতেই শুরু হয়ে গেছে এক ভয়াবহ সঙ্কট। করোনা মহামারির এই সঙ্কটের কারণে ভেঙে গেছে খামারিদের মন।

[৩] এদিকে সবকিছু বন্ধথাকায় গো-খাদ্যের দামও চড়া হয়েছে। এক মাস আগে এক বস্তা (৩৭ কেজি) গমের ভূসির দাম ছিল ১১শ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১৪শ টাকা। শুধু গমের ভূসি নয়। সব গো-খাদ্যের দাম গড়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। পরিবহন সঙ্কটে গো-খাদ্যের অভাবও দেখা দিয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক এগ্রো লিমিটেডে কোরবানির জন্য গড়ে প্রস্তুত করা হয় এক হাজার ৫০০ পশু। চড়া দামে গো-খাদ্য কিনে এসব পশুপালন করা হয়। এবার একটু বেশি গরু প্রস্তুত করা হচ্ছে। কিন্তু চলমান পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে অনেক বেশি লোকসান গুণতে হবে এই খামার মালিকের।

[৪] বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, দেশে মোট গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখ। সবমিলিয়ে এবারও কোরবানির জন্য ১ কোটি ২০ লাখের ওপরে প্রস্তুত রয়েছে। গত কোরবানির ঈদে ১ কোটি ১৭ লাখ গরু, ছাগল, মহিষ প্রস্তুত ছিল। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ছিল ৪৫ লাখ। কোরবানিতে পশু জবাই করা হয়েছিল ১ কোটি ৬ লাখ। ১০ লাখ পশুর যোগান বেশি ছিল চাহিদা থেকে। সে হিসেবে এবারও বাইরের পশু ছাড়া চাহিদা মেটানো সম্ভব। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দাবি, করোনা ভাইরাসের কারণে কোরবানির পশু ৫ থেকে ১০ শতাংশ কম বিক্রি হবে। আইরিন ফাতেমা।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত