প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সুস্বাদু ইফতার নিয়ে হৈচৈ নেই

মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি: মুখরোচক হালিম লাল লাল গরম জিলাপী-আলুর চপ, বুট পেয়াজুর পসরা সাজিয়ে বসতেন বিক্রেতারা। আর ক্রেতারা দাড়িয়ে অর্ডার করতেন। বিক্রেতারা ব্যাগে ভরে সুস্বাদু ইফতার সামগ্রী তুলে দিতেন ক্রেতার হাতে। হাসিমুখে বাসায় ফিরতেন ক্রেতারা। বিকেল তিন টা থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত চলতো বেচাকেনা। ক্রেতা-বিক্রেতায় গমগম করতো ইফতার বাজার। তবে করোনায় এ বছর কুমিল্লার ইফতার বাজারের চিত্র পাল্টে দিযেছে। নগরীজুড়ে ইফতারির পসরা নেই। নেই ক্রেতা সমাগম। যাই দু একটা দোকান ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেছেন সেখানেও নেই ক্রেতা।

কান্দিনরপাড় নিউমার্কেট থেকে ব্যাংকার সাইফুল আলম বাদুড়তলার বাসায় যাচ্ছেন। তার বাবা জাফর আহমেদ হালিম পছন্দ করেন। যদিও বাইরে পাওয়া যাবে না। তবে ঘর থেকে বের হলেন। দোকান বন্ধ। তাই বাসায় যাওয়ার সময় টমাটো শসা-কাঁচা মরিচ কিনে নিলেন।

আসর নামাজ পড়ে মটর বাইক নিয়ে বের হয়েছেন সায়েম। কলেজে শিক্ষকতা করেন। জিলাস্কুল সড়ক থেকে ফিরে যাচ্ছেন। কথা হয় শিক্ষক সায়েমের সাথে। তিনি জানান, করোনার কারনে এ বছর আর ইফতার কিনে নিতে পারছেন না।

সিডিপ্যাথ হসপিটালে স্ত্রী ভর্তি। রোজা রাখেন আবদুল হক। বাইরে ইফতার বিক্রি না করায় তিনি পাউরুটি কলা কিনেছেন।

আজ সোমবার বিকেলে নগরীর রাজগঞ্জ গিয়ে দেখা যায়, মাত্র দুটি দোকানে ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। ক্রেতা নেই। আমান বেকারীর লোকমান জানান, অল্প কিছু ইফতার সামগ্রী সাজিয়েছি। আগের মত ক্রেতা নেই। কিছু কিঝু বিক্রি হয়।

রাজগঞ্জ তরকারী বাজারের পাশে মিষ্টিঘর। মিষ্টান্ন বিক্রি করলেও এ বছর অল্প পরিমানে ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন লিটন। তিনি জানালেন ক্রেতা নেই আগের মত।

কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খান খোকন পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত দোকান পাট বন্ধ থাকবে। করোনার কারনে অন্যান্য বছরের মত এ বছর আর ইফতার নিয়ে বসার সুযোগ নেই দোকানীদের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত