প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সবজি, মাছের ট্রাক ও ড্রামের ভেতরে যাত্রী পরিবহন চলছেই

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : [২] করোনা বিস্তাররোধে মানুষকে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাসায় থাকা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, লকডাউন মেনে চলা ও ঢাকায় আসা যাওয়া বন্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থায় থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। অতি মুনাফার লোভে কিছু অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও ট্রাকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন কৌশলে যাত্রী পরিবহন করছে। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটার আশংকা রয়েছে। এছাড়াও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সবজি ও মাছের ট্রাকের ভেতর ড্রামের মধ্যেও আসা যাওয়া করছে মানুষ।

[৩] হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সার্বক্ষণিক সংশ্লিষ্ট এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করছেন। ট্রাকে যাত্রী হিসেবে যারাই যাচ্ছেন তাদের করোনাভাইরাস সেফটি হিসেবে মাক্স, হ্যান্ড গ্লাভস পড়েছে কিনা তা দেখা হচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়ী ছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

[৪] কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোর রাতে অভিনব কায়দায় ত্রিপল দিয়ে ঢাকা অবস্থায় ট্রাকে গাজীপুর থেকে ভূরুঙ্গামারী যাওয়ার পথে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ভূরুঙ্গামারী সরকারী কলেজে রাখা হয়েছে।

[৫] গত ১১ এপ্রিল রাতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সবজির ট্রাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গেছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। এর আগে গত ৬ এপ্রিল রাতে মানিকগঞ্জ থেকে গোমস্তাপুরে যাওয়া এক শ্রমিক করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান। ওই এলাকা লকডাউন করা হলেও মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় স্বাস্থ্য বিভাগ। ওই বৃদ্ধের সঙ্গে ট্রাকে করে অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি বিভিন্ন এলাকা থেকে যান।

[৬] দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ঘাট প্রান্তর। ঢাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় কর্মজীবী মানুষ ফেরী পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এ অঞ্চলে চলাচলরত ট্রাকগুলো দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় যাত্রী বহন করছেন।

[৭] একাধিক ট্রাক চালক জানান, সারাদেশে লকডাউন চললেও ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছে মানুষ। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অসহায় মানুষদের কথা ভেবেই তাদের নিয়ে যাচ্ছেন তারা।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত