প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার স্বার্থে কোনো প্রতিষ্ঠানে কতসংখ্যক পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে সেই তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : [২] আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানিয়ে গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়।

[৩] আর্টিকেল নাইটিন বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, তথ্যের অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার।

[৪] এই মুহূর্তে সঠিক তথ্যের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

[৫] করোনার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে না পারলে স্বাস্থ্যসেবা যেমন ব্যহত হবে, তেমনি সঠিক তথ্যের অভাবে ভুল তথ্য এবং ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।

[৬] এতে বলা হয়, বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।

[৭] সংক্রমণ এড়িয়ে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এসব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সুরক্ষা উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

[৮] বাংলানিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ১০ লাখেও বেশি পিপিই বিতরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

[৯] অধিদপ্তরের তথ্য মতে, সারাদেশে সরকারি চিকিৎসক-নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী আছেন ৮২ হাজার ৫১ জন।

[১]০ সে হিসেবে একজনের গড়ে অন্তত ১২টি পিপিই পাওয়ার কথা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত