প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কৃষক-ক্ষেতমজুর সমিতির ১০ দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

মনিরুল ইসলাম: [২] করোনা পরিস্থিতিতে কৃষক ও ক্ষেতমজুরের দূর্ভোগ লাঘবে ১০ দফা দাবি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ও বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি।

[৩] বুধবার ওই স্মারকলিপি দেওয়া হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা স্বাক্ষরিত ওই স্মারকলিপি’র অনুলিপি অর্থ, খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

[৪] স্মারকলিপিতে উল্লেখিত ১০ দফায় বলা হয়েছে, বোরো ধান কাটা, মাড়াই, নিরাপদে ঘরে তোলা, বাজারজাতসহ সার্বিক কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে হবে। ক্ষেতমজুরদের ধান কাটার জন্য ফসলের এলাকায় বিনাখরচে যাতায়াত, স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা ও থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্তসহ ১০ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুর পরিবারগুলোকে সেনা সহায়তায় চিহ্নিত করে তাদেরকে রেশন কার্ডের মাধ্যমে ৩ মাস বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করতে হবে। সকল ঋণ ও কিস্তি (মহাজনী, এনজিও, ব্যাংক ঋণ) মওকুফ করতে হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে শস্য ক্রয়কেন্দ্র খুলে চলতি বোরো মৌসুমে ২০ লক্ষ টন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ও ১০ লক্ষ টন চাল চাতাল মালিকের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত দামে ক্রয় করতে হবে।

[৫] আরো বলা হয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারী সবজি চাষি, পোল্ট্রি, ডেইরি ও গবাদিপশু খামারীকে রক্ষায় জনপ্রতি দশ হাজার টাকা সরাসরি সহায়তা প্রদান ও দুই শতাংশ সরল সুদে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। সবজি জাতীয় কৃষিপণ্য সরকারি উদ্যোগে বাজারজাত করার ব্যবস্থা করতে হবে। ত্রাণ-সাহায্য বিতরণে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ বন্ধ এবং গ্রামাঞ্চলে কর্মরত সকল ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবহণশ্রমিক ও ক্ষেতমজুরদের সুরক্ষায় মাস্ক, পিপিই ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র, খাদ্যগুদাম ও সবজিচাষ অধ্যুষিত অঞ্চলে হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত