প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী সংকটের আশংকা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

সুমিখান : [২] কোভিড-১৯পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্ট কনটেইনার জট নিরসনে বিজেএমইএ এবং বিকেএমইএ এবং চেম্বার অব কমার্স নেতৃবৃন্দের তৎপরতা জরুরি মনে করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বিজিএমইএ দু’সপ্তাহের মধ্যে এই কন্টেইনার জট কমাতে উদ্যোগ নিচ্ছে।

[৩] করোনার কারণে বৈশ্বিক সংকটে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে আমদানি পণ্য সরবরাহ ও পণ্য জাহাজিকরণে চরম স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের ইয়ার্ডগুলোতে আমদানি পণ্য বোঝাই কন্টেইনারের জট এখন সংকটময় পর্যায়ে।

[৪] আমদানি পণ্যবাহি কন্টেইনার ইয়ার্ড থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের কন্টেইনার নিতে না পারায় কন্টেইনার জটের সৃষ্টি হয়েছে। জায়গা না থাকাতে বহিঃনোঙ্গরের জাহাজ থেকে কন্টেইনার নামাতে পারছে না বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত কিছুদিন থেকে বর্হি:নোঙ্গরে ৩৬টি কন্টেইনার জাহাজ জেটিতে নোঙ্গরের অপেক্ষায় থমকে রয়েছে।

[৫] এ সংকটের মুখে বন্দরের অপারেশনাল কর্মকান্ড বন্ধ হবার পাশাপাশি বহিঃনোঙ্গরে জাহাজের গড় অবস্থানকাল ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে বলছে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

[৬] দেশের অর্থনীতির হৃৎপিন্ড চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট থাকলে বন্দর স্থবির হয়ে যাবে। এ কারণে বন্দর সচল রাখার বিকল্প নেই বলে মনে করেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। বিজিএমইএ’র প্রথম সভাপতি এম এ সালাম আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, আমরা বিজিএমইএ’র সদস্যদের বারবার অনুরোধ করছি তাদের পণ্য সামগ্রী নামিয়ে নিতে। সম্পাদনা : রাশিদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত