প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রায় শূন্যে নেমেছে ঢাকার বাজারে অফ সিজেনের পেয়ারা বিক্রি, এলাকায় ৬০ কেজি পেয়ারা বেচে ১০০ টাকাও পাচ্ছেন না কৃষক

মতিনুজ্জামান মিটু: [২] অফ সিজেনে স্বাভাবিক অবস্থায় দেশের অন্যতম পেয়ারার মোকাম রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে প্রতিদিন রাজধানীর বাজারে আসতো ২০ ট্রাক। এখন আসে ১টি বা দুটি। প্রতি ট্রাকে ৬০ কেজি ওজনের ১৫০ কার্টুন পেয়ারা আনা হয়। সেসময় দাম ছিলো ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা মণ। করোনভাইরাস পরিস্থিতিতে যার দাম কমে হয়েছে ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা।

[২] জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফল চাষী নাটোরের সেলিম রেজা বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলের হকাররাই দেশে উৎপাদিত পেয়ারার সিংহ ভাগ রাস্তার পাশে বসে বিক্রি করে থাকেন। করোনাভাইরাসের বাজারে তারা আর বসতে পারছে না। অসময়ের পেয়ারা ওঠার ১০ দিনের মাথায় করোনাভাইরাসে গ্রাস করতে থাকে রাজধানীসহ বাংলাদেশ। সংক্রমণ ঠেকাতে শূন্য হয়ে যায় রাজধানীর মেইন রোডসহ পাড়া মহল্লার পাশে বসা হকারের দল। ৭২ বিঘা জমিতে অসময়ের পেয়ারা আবাদ করেছেলাম। বিক্রি হয়নি। এতে শুধু আমারই ৪২ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হবে।

[৩] খেজুরের পেয়ারাই সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসম্পন্ন ফল। প্রচুর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এ ফলে রয়েছে এন্টি ভাইরাস ও এন্টি অক্সিডেন্টের অতিদরকারী উপাদান। যা এখন খাওয়ার লোক নেই। ট্রাকে পাঠানোর মতো চাহিদা নেই। তাই ট্রাকে পাঠানো যাচ্ছেনা। বাধ্য পাঠাতে হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসে, মণে খরচ হচ্ছে ৭০০ টাকা। দেশের ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিলো এই অসময়ের পেয়ারা চাষে। একদিকে ব্যাংকের ঋণ অন্য দিকে ফলসহ উৎপাদিত অন্যান্য ফসলের ক্ষতিতে মাথায় হাত উঠেছে কৃষকের। অনিশ্চয়তার সুতোয় বাধা পড়েছে তাদের জীবন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত