প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান : কৃষিশ্রমিকদের জন্য মাস্ক ও পিপিইর ব্যবস্থা জরুরি ভিত্তিতে করা হোক

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান : কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও সিলেটের হাওড় এলাকায় এবং বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। মাঠভরা পাকা সোনালী ধান। এবার ধান উৎপাদন ভালো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তেমন কোনো বালামুসিবত দেখা যায়নি। বলা যায় এবার ধান দেখে কৃষক খুশিই ছিলো। কিন্তু করোনাজনিত সমস্যায় তাদের সেই খুশি হারিয়ে যেতে বসেছে। পাকা ধান মাঠ থেকে কাটাই-মাড়াই করে ঘরে তুলতে প্রচুর কৃষি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এই সময় দূরদূরান্ত এবং বাইরের বিভিন্ন জেলা হতে ব্যাপকভাবে কৃষিশ্রমিকের সমাগম হতো। কিন্তু এবারের করোনাজনিত কারণে কৃষিশ্রমিকেরা হাওড়ে আসতে পারছে না। ফলে ধান কাটাতে কৃষকের হিমশিম খাচ্ছে। সামনে বৈশাখ মাস। যেকোনো সময় উত্তর ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের ঢল নেমে এসে সারা হাওড় প্লাবিত করে পাকা ধানসহ সব জমি তলিয়ে দিতে পারে।
তাহলে শুধু কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এলাকার তাবৎ জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একদিকে করোনার ভয়Ñ অন্যদিকে পাকা ধান পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। তাই এলাকার কৃষক মনে করে হাওড়ে ধান কাটার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় কৃষিশ্রমিকদের মাস্ক ও প্রয়োজনে পিপিই পরিয়ে ধান কাটার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এই সময় কৃষিশ্রমিকদের আয় অনেক বেড়ে যাবে। তাদের ত্রাণ বা বিনা পয়সায় মাস্ক ও পিপিই দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। সরকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে তারা নিজেরাই কিনে নিতে পারবে। কাজেই জনগণের ঝুঁকি নিয়ে হলেও কৃষিশ্রমিকদের হাওড় অঞ্চলে যাওয়ার পথ সুগম করে দেওয়া হোক এবং সব কৃষিশ্রমিকদের জন্য মাস্ক ও পিপিইর ব্যবস্থা জরুরি ভিত্তিতে করা হোক। সময় খুব কম। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত