প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঢাকায় আসা যাওয়া বন্ধে পুলিশ-র‌্যাব তৎপর

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : [২] জরুরি কারণ ছাড়া কাউকে রাজধানীতে ঢুকতে বা বের হতে দেয়া হচ্ছে না। যারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঢোকা বা বের হওয়ার চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ করা হচ্ছে জরিমানা।

[৩] রাজধানীর প্রবেশ পথে ২০টি চেকপোস্ট বসিয়ে ২৪ ঘণ্টাই সতর্ক পুলিশ ও র‌্যাব। প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জরুরি সেবা ও পণ্যবাহী যানকে ছাড় দেয়া হলেও অহেতুক চলাচলকারীরা ছাড় পাচ্ছেন না। তবে অনেকের মধ্যেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ চেকপোস্টের অদূরে গাড়ি থেকে নেমে পাঁয়ে হেটে চেকপোস্ট পার হওয়ার চেষ্টা করছেন।

[৪] গাবতলীতে দেখা যায়, আমিনবাজার সেতুর প্রবেশ মুখেই ব্যারিকেড বসিয়েছে। অনেক পুলিশ সদস্য সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। ব্যারিকেড পার হয়ে কোনো ব্যক্তি বা গাড়ি আসতেও পারছে না, যেতেও পারছে না। সবাইকে পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। কেউ অফিস খোলার কথা বলছেন, কেউ ব্যাংকে যাবেন আবার কেউ বা হাসপাতালে যাবেন। তবে কোনো যুক্তিই মানছেন না। কেবলমাত্র তারাই ঢুকতে বা বের হতে পারছেন যারা কাঁচামাল নিয়ে এসেছেন। তবে রোগীবাহি অ্যাম্বুলেন্স, মিডিয়াকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের ডকুমেন্টস দেখিয়ে ঢাকায় ঢুকতে বা বের হতে পারছেন।

[৫] পোস্তগোলা ব্রিজের গোড়ায় দেখা যায় ট্রাক, প্রাইভেটকার আর মোটরসাইকেলের বিশাল বড় জট। কারণ পুলিশ আটকে দিয়েছে। কাউকে প্রবেশ করতে বা বের হতে দিচ্ছে না পুলিশ। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সও পার হতে পারছেন না। ওইসব অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর পরিবর্তে সাধারণ লোকদের বহন করা হয়েছে, যার কারণে পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সগুলোও পার হতে দেয়নি। পায়ে হেঁটে কিছু লোক কেরানীগঞ্জ থেকে রাজধানীতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাও সফল হতে দেয়নি পুলিশ।

[৬] চিটাগাং রোড সাইনবোর্ড এলাকার বর্ণনা দিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, সাইনবোর্ড এলাকা থেকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা পর্যন্ত ছয়টি ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। শুধুমাত্র সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গাড়ি ও ব্যক্তি এর আওতামুক্ত থাকবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত