প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রকল্প সংশোধন করে আরও ১৮২ কোটি টাকা চাইছে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

সাইদ রিপন : [২] বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র্য নিরসনে কৃষি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। প্রাণিস¤পদ বছরের পর বছর ধরে দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট ৫ কোটি ৫৫ লাখ গবাদিপশু রয়েছে।

[৩] এই প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ সালে তৃতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিলো ২৬৫ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রকল্পটি প্রথম সংশোধন করে ৪৪৭ কোটি ৬৪ লাখ ব্যয় নির্ধারণ করে ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

[৪] প্রস্তাবিত নতুন কার্যক্রমগুলো হচ্ছে, ৮৩ হাজার ৩৩৩ মাত্রার শাহীওয়াল ও ৩০ হাজার মাত্রার ফ্রিজিয়ান সীমেন আমদানি করে, ৪০টি পিউর ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী/বকনা/ ষাড় আমদানি করা, ৪ জন কর্মকর্তাকে ৩০ দিন মেয়াদি বৈদেশিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান, দুইজন কর্মকর্তাকে ৩০ দিন মেয়াদি ভ্রƒুণ স্থানান্তর প্রযুক্তি বিষয়ক বৈদেশিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান, অতিরিক্ত ৪ জন কর্মকর্তার জন্য বৈদেশিক শিক্ষা সফর আয়োজন, ৫০০ জন কর্মকর্তাকে ২ দিন মেয়াদী রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ, অতিরিক্ত ২৪ হাজার ৮৪০ জন গবাদি প্রাণী খামারিকে তিনদিন মেয়াদি প্রশিক্ষণ, গবাদি পশু চিহ্নিতকরণ ও ডেটা বেইজ তৈরিকরণ কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তা ভাতা ও সাভারে অবস্থিত কৃত্রিম প্রজনন গবেষণাগারে চতুর্থ তলা ভিতের ওপর দ্বিতয় তলা ল্যাবোরেটরি ভবন এবং স্টোররুম কাম ট্রেনিং ল্যাব ভবন নির্মাণ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত