প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনাভাইরাসের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে এক বছরের জন্য কর্মী ছাঁটাই বন্ধ করুন, বললো ওয়ার্কার্স পার্টি

সমীরণ রায়: [২] পার্টির পলিটব্যুরো সদস্যদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে মূল সংগঠন স্বাস্থ্যসেবা আমলাদের হাত থেকে নিয়ে পেশাদার রোগতত্ববিদ, ভাইরোলজিস্ট, মাইক্রো বায়োলজিস্ট, প্রতিরোধে ফ্রন্টলাইনে থাকা চিকিৎসকদের সমন্বিতভাবে পরিচালিত করতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মী ও সহায়তাকর্মীদের সুরক্ষার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের জন্য করোনা বিমার ব্যবস্থায় আনা প্রয়োজন।

[৩] এতে বলা হয়, রফতানি শিল্পশ্রমিক-কর্মচারীদের মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমজীবি-কর্মজীবী, গ্রামীণ শ্রমজীবী নারী-পুরুষের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন ও তা বিতরণের জন্য কেন্দ্র থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শ্রমিক-কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধির সমন্বয়ে পরিচালনা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কৃষকের ধান ও অন্যান্য পণ্যমূল্য নিশ্চিত করে সরকার তা কিনে নেবে এবং গুদাম না থাকলে কৃষকের কাছেই মজুত রাখবে।

[৪] বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যুবকদের কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা, স্টার্টআপ ক্যাপিটালের শর্ত সহজ করা ও তার অঙ্কের পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। গণমাধ্যমসমূহকে স্বাধীন স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের নিশ্চয়তা বিধান ও বিশেষ করে এক্ষেত্রে আইসিটি আইনে বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিল করতে হবে। এ ধরনের দুর্যোগ অবস্থায় অতীতের মতো জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও তার পরবর্তীতে অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।

[৫] পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সঞ্চালন করেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।

[৬] শনিবার হোয়াটসঅ্যাপে দলটির পলিটব্যুরো এক সভায় এসব কথা বলা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত