প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিছুটা দেরিতে হলেও কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয় করার কাজটা শুরু হয়েছে

অভিনু কিবরিয়া ইসলাম : কিছুটা দেরিতে হলেও কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয় করার কাজটা শুরু হয়েছে। বিভিন্নভাবে উদ্যোগ নেয়ার পর, সারা দেশে মাইক্রোবায়োলজিস্ট, মলিকুলার বায়োলজিস্টদের ভূমিকা রাখার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষ থেকে এমনকি অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে যোগাযোগ করে বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন। কোভিড-১৯ টেস্ট ও গবেষণার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুততম সময়ে একটি বিশেষায়িত ল্যাব সেটআপের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগীয় সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও শিশু হাসপাতাল, আইসিডিডিআরবির মত প্রতিষ্ঠানে করোনা টেস্ট করার অনুমতি মিলেছে। এসব জায়গায় আরটি পিসিআর-এ অভিজ্ঞ অনেকে ভলান্টিয়ার হতে নাম জমা দিয়েছেন।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি জেনোম সেন্টার রয়েছে। সেখানে আরটিপিসিআর ছাড়াও স্ক্যানিং ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ, সিকুয়েন্সার রয়েছে, এসব ব্যবহারে প্রশিক্ষিত জনবলও রয়েছে। ইতোমধ্যেই যশোরের সিভিল সার্জন ল্যাবটি পরিদর্শন করে গেছেন। সরকার চাইলে এখানেও পরীক্ষা ও গবেষণা করা সম্ভব। এছাড়াও আমার জানামতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চমৎকার কিছু ল্যাব এবং দক্ষ গবেষকরা রয়েছেন, যারা কাজ করতে পারেন। স্যাম্পল সংগ্রহ করে উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় ল্যাবগুলোতে পৌঁছিয়ে দিলে এবং কিট সরবরাহ করলে এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের জনবল দিয়েই করোনা পরীক্ষা করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
গণস্বাস্থ্যের উদ্যোগে কিট তৈরির কাজে ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে গবেষকরা অত্যন্ত পরিশ্রম করছেন উপযুক্ত ল্যাব সেটআপের কাজে? এখন পর্যন্ত সব রিএজেন্ট এসে পৌঁছায়নি। তারা যত দ্রুত সম্ভব, প্রাথমিকভাবে দশ হাজার কিট তৈরিতে প্রস্তুত হচ্ছেন। এর বাইরেও আমার জানামতে বাংলাদেশি গবেষকরা সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভ্যাক্সিন, ড্রাগ ডিজাইন, ডায়াগনস্টিক কিট ইত্যাদি সম্পর্কে তাদের অনেকে গবেষণা করছেন। সরকারের সহযোগিতা এবং সামান্য কিছু ফান্ডিং পেলে তারা এ ব্যাপারে অনেকদূর অগ্রসর হওয়ার সামর্থ্য রাখেন?সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনাকে রুখতে আমরা সক্ষম হবো আশা করি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত