প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যুদ্ধটা শুধু ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়, ক্ষুধার বিরুদ্ধেও

গৌতম চক্রবর্তী : সম্প্রতি রাতে ইনবক্সে নক, ‘দাদা, গ্রামের কিছু মানুষ কেরলে আটকে আছেন। তাদের খাবার নেই। কিছু করা যায়’? প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে আয়েশা, তবে মানুষের জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে করে। তাকে অনির্বাণ মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিলাম। কারণ অনির্বাণ কেরলের যেকোনো জায়গায় সাহায্য লাগলে জানাতে বলেছিলেন তার টাইমলেইনে। মাত্র ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ব্যবস্থা হয়ে গেছে। বাংলার ওই ৩০ জন শ্রমিক এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। সাফিন ইএসআই হাসপাতালের ডাক্তার। গুজরাটের ভাপিতে পোস্টিং। সে সরাসরি ওয়ার ফ্রন্টে লড়ছে। সম্প্রতি সকালে ফোন করেছিলো। তার ওইখানেও আমাদের রাজ্যের অনেকে আটকা। তাদের দুবেলা দুমুঠো যোগাড় এখন নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে আমাদের বাচ্চাটা। সঙ্গে পেয়ে গেছে কিছু তার মতোই মানুষ। শামিম পান্ডুয়ায় থাকে। পৌনে গ্রাম সিকি শহর বলতে পারেন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ অনেক। বন্ধুরা মিলে চাঁদা তুলে ৫০টা পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে তারা। বলা বাহুল্য, বৃত্তটা আরও বাড়বে। শাহাজাদা হাসিব মেটিয়াবুরুজ থাকে। ওইখানে অনেক শ্রমিক বাইরে থেকে আসে। তারাও জোট বাঁধছে। প্রান্তিক মানুষগুলো যেন ভুখা না থাকে সেই ব্যবস্থা করতে। নেটওয়ার্ক বানান। দেশের প্রতিটি শহরে। রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে। নিজের এলাকায় খবর নিন। বিশেষ করে নির্মাণ শ্রমিকদের, কারণ তাদের বেশিরভাগ মানুষই পরিযায়ী। সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগান। সরকার নিজের কাজ করুক, পাশাপাশি আমরাও হাত লাগাই। এখন এই যুদ্ধটা শুধু ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়, ক্ষুধার বিরুদ্ধেও। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত