প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা মহামারী হলেও খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে না, খাদ্য সংকট হবে না বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানালেন কৃষিমন্ত্রী

আনিস তপন: [২] সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ তথ্য জানান ড. আব্দুর রাজ্জাক।

[৩] কৃষিমন্ত্রী জানান, মহামারীর কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে না, ঘাটতি হবে না। এটা মোকাবেলা করা যাবে। সাধারণ ছুটি চলাকালীন ইউনিয়ন, উপজেলা কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সব কর্মকর্তা বাড়িতে যেতে পারবেন না। কর্মস্থলে থাকতে হবে। ফসল সঠিকভাবে ঘরে তোলার বিষয়ে পরামর্শসহ সার, বীজ ও সেচের সরবরাহ যাতে অব্যাহত থাকে তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গত কয়েক মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন ভালো হওয়ায় খাদ্য ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুতআছে। আসন্ন বোরো মৌসুমে গত বছরের চেয়ে বেশি উৎপাদিত হবে বলে আমরা আশা করছি। আউশের উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছি। এ বছর পেঁয়াজ উৎপাদন বেড়েছে। পেঁয়াজ কীভাবে অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায় সে ব্যাপারে আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি।

[৪] করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সব দপ্তর সংস্থা নানামূখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান, মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এসময় মহানগরীগুলোর কোনো গ্রাহক বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার পানির লাইন না কাটার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সারাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে (গ্রাম পর্যায়ে) আপদকালীন সময়ে সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি সব জেলায় মশার বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

[৫] দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ২২ মার্চ প্রধামন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ২৪, ২৮ ও ৩০ মার্চ শ্রমজীবি মানুষের খাদ্য সংকট মোকাবেলায় ৬৪ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩৯৬৬৭ টন চাল, ১১ কোটি ২৪ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সব বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা জানিয়েছেন, কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌছানোর পরও তাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ-সামগ্রী রয়েছে এবং যতদিন প্রয়োজন হবে ততদিন ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করতে পারবে ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত