প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পূর্বাভাষ বিশ্বব্যাংকের

নিউজ ডেস্ক : [২] সতর্কতা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বলেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক পীড়া নেমে আসছে। দৃশ্যত তা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। এর অর্থ এমন সঙ্কট অবশ্যম্ভাবী। ওদিকে বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থাগুলোর অন্যতম আমেরিকান এয়ারলাইন্স বলেছে, তারা সরকারের কাছে ১২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়ে আবেদন করবে। এ অবস্থায় বিশ্বব্যাংক বলেছে, করোনা ভাইরাসের কারণে দরিদ্ররা আরো দরিদ্র হবে। এ বিষয়ে অনলাইন বিবিসিতে তাদের এশিয়া বিজনেস বিষয়ক প্রতিনিধি কারিশমা ভাস্বানী সংক্ষিপ্ত, তবে তাৎপর্যময় একটি প্রতিবেদন লিখেছেন।  মানবজমিন

[৩] তিনি লিখেছেন, আগেই বলেছি, করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পরিণতি কি হবে সেই অর্থনৈতিক পূর্বাভাষ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

[৪] করোনা ভাইরাসের কারণে তাদের ভবিষ্যত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কি ক্ষতি করবে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে তাতে। সেই পূর্বাভাষ ভয়াবহ। করোনা ভাইরাস হুমকিতে ফেলেছে পর্যটন, বাণিজ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ওপর ভিত্তি করে চলমান অর্থনীতিকে। আরো ভয়াবহতা অপেক্ষা করছে। এশিয়ার কয়েক কোটি ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জীবনজীবিকাকে আরো ঝুঁকিতে ফেলেছে। এতে গরিবরা আরো গরিব হবে। এমনকি ধনী দেশগুলো তাদের ব্যবসা ও গৃহস্থালীকে টিকিয়ে রাখতে লড়াই করতে হবে।

[৫] চীন, যেখানে এই করোনা ভাইরাসের সূচনা হয়েছে, সেখানকার ব্যাংক বলেছে, করোনা ভাইরাসের কারণে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গত বছরে শতকরা ৬.১ ভাগ থেকে ২০২০ সালে কমিয়ে শতকরা ২.৩ ভাগে নিয়ে আসবে, যদি এই মহামারি আরো খারাপ অবস্থায় না যায়। কিন্তু যদি অবস্থা আরো খারাপের দিকে যায় তাহলে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এ বছরে শতকরা মাত্র ০.১ ভাগ অর্জিত হতে পারে। পুরো অঞ্চলে এই একই রকম চিত্র বিরাজমান।

[৬] দরিদ্রদের জন্য আরো করুণ খবরের আভাষ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একদিকে তারা অসুস্থতায় ভুগবে। অন্যদিকে উপার্জন হারানোর কারণে ভুগবে। উভয় দিক দিয়ে নিষ্পেষিত হবে তারা। বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২০ সালে যে পরিমাণ মানুষের দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, তা কমে যাবে। আরো খারাপ কথা হলো, দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাবে এক কোটি ১০ লাখ মানুষের। এশিয়া, বিশেষ করে চীন হলো গত এক দশকের বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি বা ইঞ্জিন। কিন্তু করোনা ভাইরাস তাদের প্রবৃদ্ধির ধারাকে থামিয়ে দিয়েছে। এতে যে ক্ষতি হয়েছে বা হচ্ছে তা থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘ সময় লাগবে এবং সামনে অত্যন্ত কঠিন পথ অপেক্ষা করছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত