প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]রাজশাহীতে বেড়েছে রোদ্রের প্রখরতা, করোনা নিয়ে জনমনে তৈরি হচ্ছে নানামত! বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানালেন ভিন্ন কথা!

মুসবা তিন্নি : [২] করোনা ভাইরাস, বর্তমানে সারাবিশ্বে একটি আতঙ্কের নাম। এই ভাইরাসে অাক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই সারাবিশ্বে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা আইইডিসিআরের মতে, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন মারা গেছেন। সারাদেশের মতো করোনা নিয়ে লকডাউনের মধ্যে রাজশাহী শহরও। উত্তর বঙ্গের রাজশাহী শহরে বরাবরের ন্যায় গ্রীষ্ম এবারো সবার অাগে এসে হাজির হয়েছে, বেড়েছে সূর্যের তাপমাত্রার প্রখরতা। তাই করোনা ভাইরাসকে নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে ভিন্ন নানা মত।

[৩]সরজমিনে রাজশাহীর বাজার থেকে রাস্তার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা অনেকেই অনেক মত জানিয়েছেন,
মুদির দোকানের জহুরুল জানায়, করোনা ভাইরাস নিয়ে তেমন কিছু না জানলেও মালিকের কড়া নির্দেশে মুখে মাস্ক পড়েছি, হাতে দিয়েছি হ্যান্ড গ্লাভস সেই সাথে সকাল সন্ধ্যা দোকানের চারপাশে ছিটিয়ে দিচ্ছি জীবাণুনাশক, মালিকের নির্দেশেই দোকানের সামনে দড়ি দিয়ে দুরত্ব তৈরি করে দিয়েছি যেনো কোনো কাস্টমার এসে ঘেঁষাঘেঁষি করতে না পারে।

[৪]বাজারের কাঁচা সবজির বিক্রেতা কামাল জানায়, করোনা ভাইরাস নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যা বলা হচ্ছে বাইরে বের হওয়ায় সময় মুখে মাস্ক অার হাতে হ্যান্ড গ্লভস পরছি।হাত ধোঁয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, সারাদিন তো হ্যান্ড গ্লভসই পরে থাকছি তাহলে এতো হাত ধোঁয়ার প্রয়োজন কি!?

[৫]এদিকে রাজশাহীর উপশহর এলাকায় টিসিবির সল্প মূল্যের খাবার নিতে অাসা মানুষের মধ্যে দেখা গেছে সঠিক নিয়ম মেনে দুরত্ব বজায় রাখার দৃশ্য। এনিয়ে এক ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা ভাইরাসে আসলে কিছু হবেনা বাইরে যে পরিমান রোদ,মানুষই থাকতে পারছেনা করোনাও মরে যাবে। কিন্তু তারপরও সরকারি নির্দেশ মেনে এখানে লাইন করে দেয়া তিনহাত দূরের বক্সে এসে দাড়াচ্ছি।

[৬] এদিকে বাজারে অাসা দুজন ভদ্রমহিলাকে ম্যচিং ড্রেসের সাথে ম্যচিং মাস্ক দেখে প্রশ্ন করায় তারা জানান, অামরা ফ্যশান সচেতন তাই মাস্ক যখন পড়তেই হবে তাই বাইরে পড়া একটা গাউনের সাথে ম্যচিং করে মাস্ক বানিয়ে নিয়েছি। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, যার যেভাবে মৃত্যু অাছে সেটা হবেই এতো আতঙ্কিত হবার কিছু নেই।

[৭] এদিকে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা ১০ বছরের স্কুল ছাত্র তৌসিফকে বাসার বন্দী জীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে সে জানায়, আগে স্কুলে যেতে মন চাইতোনা কিন্তু এখন এতোদিন বাসায় বসে থেকে মনে হচ্ছে কখন স্কুল খুলবে একটু বাড়ির বাইরে যাবো বন্ধু বান্ধবদের সাথে খেলা করবো মোবাইলে গেম খেলতে অার ভালো লাগছেনা। আব্বু আম্মু তো দরজার বাইরেই যেতে দিচ্ছেনা।

[৮] জনসাধারণের এমন মতামতের বিষয়ে এবং বর্তমানে রাজশাহীর করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলা হয় রাজশাহী মেডিক্যালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং বর্তমানে রাজশাহীর করোনা বিষয়ক ডক্টর টিম সমন্বয়কারী ডা. আজিজুল হকের সাথে তিনি জানান, বর্তমানে করোনা ভাইরাসে অাক্রান্ত হয়ে অাইশোলেসনে রাজশাহীতে রয়েছেন একজন। তিনি অারো জানান, রোদ্রের প্রখরতায় কিংবা গরম পরলে যে করোনা ভাইরাস মরে যাবে এটার কোনো সত্যতা নেই, যদিও কিছুদিন অাগে এম.অাইটির একটি রিসার্চ বলেছে বাতাসে আদ্রতা যতো বাড়বে তার সাথে সাথে এর প্রকোপ কমার সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু এটি পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব হবেনা তাই টেম্পারেচার বাড়লেও তিনি সকলকে ঘরে থাকার পরামর্শ জানিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত