প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এলাকাভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে তালিকা করে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলে সবার হাতে পৌছাতো, মনে করেন নগরবাসী

লাইজুল ইসলাম : [২] দুপুরে মগবজার মোড়, হাতিরঝিল, বাংলামোটর মোড় ও সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় ঘুড়ে এসব চিত্র দেখা গেছে। করোনা প্রভাবে বাদ্ধতামূলক ছুটি চলছে সারা দেশে। এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পরেছেন খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষ। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজধানী ঢাকার সচ্ছল মানুষ। যে যতটুকু পারছেন দিচ্ছেন সাহায্য।

[৩] রোববার রাতে রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় অল্প কিছু হলেও ত্রাণ বিতরণ করেন ইমরান হোসেন মাসুদ। তারা বন্ধুরা মিলে প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবারকে সহযোগিতা করেন। প্রত্যেক প্যাকেটে ৩ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, এক কেজি তেল, এক কেজি লবন ও এক কেজি আলু ছিলো।

[৪] মাসুদ বলেন, এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সমাজের খেটে খাওয়া মানুষগুলোর জন্য বিত্তবানদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

[৫] আমিন বাজারে ত্রান সামগ্রি দরিদ্রদের বিতরণ শেষে তানিম দুদেভ জানান, এটা আমাদের নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব আরেক নাগরিকের পাশে দাঁড়ানো। দায়িত্ব বোধ থেকেই এটা আমরা করেছি।

[৬] একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের গ্রুপ থেকেও দরিদ্র অসহায় মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা উত্তোলন করা হয়েছে। গ্রুপের মোডারেটর শ্রাবন জানান, দুইয়েক দিনের মধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী কেনা শেষ হবে। তিন দিনের দিন এগুলো মানুষের হাতের পৌছে দেওয়া হবে।

[৭] এদিকে, সোমবার সকাল থেকেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলছে ত্রাণ বিতরণ। ত্রাণের আশায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে। বাসায় কাজ করেন মাহমুদা বলেন, আমরা সকাল থেকে বাসায় বাসায় কাজে বেরিয়ে যাই। ঠিক সেই সময় ত্রাণ দিয়ে চলে যায়।

[৮] অনেকে আবার জানতেই পারছেন না কখন কোথায় ত্রাণের পন্য দেওয়া হচ্ছে। তাই সাহায্যটুকু গ্রহণ করতে পারছেন না অনেক অসহায় মানুষ। আবার অনেকে প্রয়োজনের চাইতে বেশিও পাচ্ছেন।

[৯] শহরের সচেতন মানুষ মনে করেন, প্রত্যেকটি এলাকা দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি করে কমিটি গঠন করা হোক। তারা লিষ্ট করে সাহায্যগুলো পৌছে দিবে দরিদ্র মানুষের বাসায়। এতে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ কম হবে। রাস্তায় ত্রাণ দেওয়ার সময় করোনা আক্রান্ত হতেও পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত